দেশ প্রথম পাতা

 সহজেই কর্ণাটকের আস্থা ভোটে জয়ী ইয়েদুরাপ্পা, স্পিকার পদে ইস্তফা রমেশ কুমারের

নিজস্ব সংবাদদাতা: কর্ণাটকে তিন সপ্তাহ ধরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর সোমবার আস্থাভোটে জয়লাভ করলেন মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা। তার পরেই ইস্তফা দিলেন স্পিকার বি এস রমেশ কুমার। ১৪ মাসের কুমারস্বামী সরকারের থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছিলেন ১৮ জন বিধায়ক। রবিবার রাতে স্পিকার ১৪ জনের বিধায়ক পদ খারিজ করে দেন। এর পরে বিধানসভায় ১০৫ টি আসন পেলেই ইয়েদুরাপ্পা গরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারতেন। এদিন তিনি পেয়েছেন ১০৬ টি ভোট। আজ বিধানসভায় আস্থাভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করেন ইয়েদুরাপ্পারা। তারপরই নিজের চেয়ার থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন কংগ্রেসের শ্রীনিবাস কেন্দ্রের বিধায়ক রমেশ কুমার। গত এক মাস ধরে চলা কর্নাটক নাটকে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন রমেশ কুমার। বিদ্রোহী বিধায়করা স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র দিতে গেলে কয়েকজনের ইস্তফাপত্র বাতিল করে দেন তিনি। নতুন ভাবে ইস্তফাপত্র দেওয়া হলেও সিদ্ধান্ত নিতে সময় নেন স্পিকার। তাঁর যুক্তি, সংবিধান মেনেই খতিয়ে দেখতে হবে তাঁদের ইস্তফাপত্র। বলপূর্বকভাবে ইস্তফা দেওয়া হয়েছে কিনা তা দেখা হবে।আস্থাভোটে জয়ী হওয়ার পরে ইয়েদুরাপ্পা বলেন, তিনি প্রতিশোধ নেওয়ার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। তিনি ‘ফরগেট অ্যান্ড ফরগিভ’-এর রাজনীতিতে বিশ্বাসী। কংগ্রেস ও জেডিএসের অভিযোগ, বিজেপি বিধায়ক কিনে সরকার গড়েছে।৭৬ বছরের ইয়েদুরাপ্পা এদিন সকালে বেঙ্গালুরুর এক মন্দিরে প্রার্থনা করেন। পরে তিনি বলেন, বিশেষ কারণে আমাকে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কেউ যদি মনে করেন, আমরা ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছি, সরাসরি এসে আমাদের বলতে পারেন।

Spread the love