জেলা প্রথম পাতা রাজ্যের খবর

বাড়িতেই রমরমিয়ে তৈরী হতো অস্ত্র, গোপন সূত্রে খবর পেয়েই অস্ত্র কারখানা থেকে গ্রেফতার খোঁড়া সিদ্দিক

নিজস্ব প্রতিনিধি: কেন্দ্রের তরফে বারবার অভিযোগ করা হয় বাংলাই নাকি সন্ত্রাসবাদীদের আঁতুড় ঘর। এমনকি বাংলার মাদ্রাসা নিয়েও দিল্লিতে সরব হতে দেখা গিয়েছে কেন্দ্রীয়স্তরের নেতা-সাংসদদের। তবে রাজ্য প্রশাসন দাবি করে বাংলায় কোন অশান্তি নেই। প্রশাসন কঠোর হাতে সবরকম পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্যই প্রস্তুত থাকে। তবে যেভাবে মাঝেমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বেআইনি অস্ত্র কারখানার সন্ধান পাওয়া যায় তাতে উদ্বেগ বাড়ে প্রশাসনের কর্তাদেরও। তেমনভাবেই মালদহ, মুর্শিদাবাদের পর এবার  দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হদিশ মিলল অস্ত্র কারখানার। ঘটনায় গ্রেপ্তার এক। ধৃতের নাম সিদ্দিক লস্কর ওরফে খোঁড়া সিদ্দিক। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর জেলা পুলিশের ক্যানিং থানার আমতলা গ্রামে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বারুইপুর জেলা পুলিশের স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপের ওসি ও ক্যানিং থানার আইসির গোপন তল্লাশিতে উদ্ধার হয় এই বিরাট অস্ত্র কারখানা। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে পাঁচটি একনলা বন্দুক, ১২ পিস ছোট একনলা বন্দুক, দুটি সিক্স চেম্বার পাইপ গান, কুড়িটি তাজা গুলি, চারটি বন্দুকের নল। এছাড়া অস্ত্র তৈরির প্রচুর যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে এই কারখানা থেকে। যার মধ্যে আছে প্রচুর স্প্রিং লোহা কাটা মেশিন এবং লোহার রড।

এ বিষয়ে বারুইপুর জেলার পুলিশ সুপার রশিদ মুনির খান বলেন, তিন বছর আগে সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তারপর সে ছাড়াও পেয়ে যায়। বাড়ি ফিরে নতুন করে ঘরের মধ্যে আবার অস্ত্র কারখানা তৈরি করে। এই অস্ত্র কারখানা থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকাতে অস্ত্র সরবরাহ করত সে। মূলত তার অস্ত্র ক্যানিং, কুলতলী ও জয়নগর এলাকাতেই পৌঁছে যেত। পুলিশের জেরাতে ওই ব্যক্তি স্বীকার করেছেন যে মূলত ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায় এই সমস্ত অস্ত্রগুলোর সে বিক্রি করত।

 

Spread the love