কলকাতা প্রথম পাতা

নতুনের অপেক্ষায় রাজভবন! মমতার তোষণেই রাজ্যের সম্প্রীতি নষ্ট, বিদায়বেলায় বিস্ফোরক কেশরীনাথ ত্রিপাঠী

নিজস্ব প্রতিনিধি: বঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর সাথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের যে সুমধুর সম্পর্ক ছিল না তা কারুর অজানা নয় ।একাধিকবার রাজ্য প্রশাসনকে নানা বিষয়ে সর্তক করতে দেখা গিয়েছে খোদ রাজ্যপালকেই।তবে সরকার-রাজভবনের বিরোধ যে শেষে দিনগুলিতে মিটছে না তা কার্যত পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।মেয়াদ শেষ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠির।তিনি এখন প্রাক্তনদের তালিকায়। সুপ্রিম কোর্টের বর্ষীয়ান আইনজীবী জগদীপ ধনকরকে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল করে পাঠাচ্ছে কেন্দ্র। সেই বিষয়ে শিলমোহরও দিয়েছে রাষ্ট্রপতি ভবন।  কিন্তু বিদায়ের আগেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বোমা ফাটালেন কেশরীনাথ ত্রিপাঠি। তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও।  এদিন সংবাদ মাধ্যম পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেশরীনাথ ত্রিপাঠি বলেছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোষণ নীতির জন্য বাংলায় শান্তি বিঘ্নিত। বাংলার সমস্ত নাগরিককেই সমান চোখে দেখা উচিত।’মুখ্যমন্ত্রীকে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করারও উপদেশ দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে যোগ করলেন,’বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতির প্রয়োজন।’

কেশরীনাথ ত্রিপাঠির এহেন মন্তব্যের জন্য তাঁকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর উদ্দেশ্যে তৃণমূল মহাসচিব বলেন, ‘বিদায়ের আগে বিজেপির কাছে পয়েন্ট বাড়ানোর চেষ্টা করছেন উনি। তিনি ক্ষমতায় থাকাকালীন বিজেপি কার্যালয়ে পরিণত হয়েছিল রাজভবন।’ সঙ্গে আর একটি প্রশ্নচিহ্ণও কেশরীনাথ ত্রিপাঠির উদ্দেশ্যে ছুঁড়ে দিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, ‘কেশরীনাথ ত্রিপাঠি রাজ্যপাল থাকাকালীন এসব কথা বলেননি কেন?’ তবে রাজ্যপালের বক্তব্যকে মান্যতা দিয়েছেন বিজেপি নেতারা। যদিও বিরোধীতার সুরই শোনা যাচ্ছে বাম-কংগ্রেস নেতাদের গলাতেও।

Spread the love