করোনা প্রথম পাতা রাজনৈতিক

কেন্দ্রের টিম রাজ্যে পলিটিকাল ভাইরাস ছড়াতে এসেছে, ডেরেক ও’ব্রায়েন ।

রাজ্য – কেন্দ্র সংঘাত যখন ক্রমশ তীব্র হচ্ছে, সেই মুহূর্তে তৃণমূলের মুখপাত্র তথা সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের বিরুদ্ধে আক্রমণ সানালেন। এই আক্রমণ সংঘাতে নতুন মাত্রা যোগ করল বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। কেন্দ্রের পাঠানো আন্তঃমন্ত্রক দলের সঙ্গে নবান্নের পত্র সংঘাত লেগেই রয়েছে। এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় দলের বিরুদ্ধে বেনজির আক্রমণ শানালেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ তথা দলের অন্যতম মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েন।

রাজ্যে প্লাজমা পদ্ধতিতে করোনা চিকিৎসা, চিকিৎসকদের আশা মিলবে সাফল্য।

দিল্লি থেকে আসা দলের দু-দু’টি নামও দিয়ে দিলেন ডেরেক। আন্তঃমন্ত্রক দলের ইংরাজি পুরো কথা ইন্টার মিনিস্ট্রিয়াল সেন্ট্রাল টিম (আইএমসিটি)। এদিন ডেরেক বলেন, “ওটা আসলে ইন্ডিয়াস মোস্ট ক্যালাস টিম। এটা যদি ভাল না লাগে তাহলে বলুন আই মাস্ট কজ ট্রাবল!” তাঁর কথায় বাংলার সরকারকে বিব্রত করতেই দিল্লি থেকে এই দল পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলায় এই দল পৌঁছে যাওয়ার পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বিষয়টি জানান। প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার এই কথাই বলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা। মুখ্যমন্ত্রীও বলেছিলেন, ওঁরা আসার আধঘণ্টা আগে আমরা জানতে পেরেছি।

দেশজুড়ে র‍্যাপিড টেস্ট বন্ধ করে দিল কেন্দ্র ।

ডেরেক এদিন বলেন, “কোনও কারণ ছাড়াই কেন্দ্রীয় দল রাজ্যে এসেছে।” রাজ্যসভার সাংসদের আরও অভিযোগ, “তাঁরা যেখানে যাচ্ছেন সেগুলি হটস্পট এলাকা নয়। যে এলাকায় যাচ্ছেন সেখানে হয়তো শেষ পজিটিভ কেস পাওয়া গিয়েছে দু’তিন সপ্তাহ আগে।” তাহলে কেন এসেছে কেন্দ্রীয় দল? ভিডিও বার্তায় নিজেই এই প্রশ্ন করে ডেরেক বলেন, “তাঁরা এখানে ভারত সরকারের হয়ে রাজনৈতিক ভাইরাস ছড়াতে এসেছেন।” একের পড় এক চিঠি দিচ্ছে কেন্দ্রীয় দল এবং সেই চিঠি পাওয়ার পর নড়েচড়ে বসছে রাজ্য।

করোনা হাসপাতালে নিষিদ্ধ মোবাইল, হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ সাংসদ অর্জুন সিং – এর।

এতদিন রাজ্য বলেনি কতজন মৃতের শরীরে করোনা পজিটিভ ছিল। মুখ্যসচিবকে প্রশ্ন করা হলেও তিনি বলেছিলেন, টোটাল নম্বর সরকারের ড্যাশবোর্ডে আসে না। শুধু অডিট কমিটি যেগুলিকে করোনায় মৃত বলে নিশ্চিত করে সেই সংখ্যাই নবান্ন জানতে পারে। বিরোধীরা এ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ তুলছিল। কেন্দ্রীয় দল এসেও অডিট কমিটি সহ একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন তুলে চিঠি দেয়। তারপর গতকাল মুখ্যসচিব বলেন ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে যাঁদের শরীরে করোনা ভাইরাস ছিল।

প্রয়াত হলেন উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন! এমনই দাবি করেছে হংকং টিভি।

তা ছাড়া কোভিড হাসপাতাল ও কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের পরিকাঠামোর তথৈবচ অবস্থা নিয়েও মুখ্যসচিবের ব্যাখ্যা চায় কেন্দ্রীয় দল। কেন্দ্রীয় দল সম্পর্কে ডেরেকের এদিনের তির্যক মন্তব্য নিয়ে পাল্টা বলতে ছাড়েনি বিজেপি। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, “আসলে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যখন সারা দেশ লড়ছে তখন বাংলায় কেন্দ্রীয় দলকে লড়তে হচ্ছে তথ্য গোপনের ভাইরাসের বিরুদ্ধে। দিল্লির দল এসে রাসায়নিক ছড়াতেই টপাটপ তথ্য গোপনের ভাইরাস মরছে। তাই ডেরেকদের এত গাত্রদাহ!”

Spread the love