কলকাতা প্রথম পাতা

চর্মনগরীর নতুন নাম কর্মদিগন্ত! ৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থার নয়া ঠিকানা বলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে ফের নয়া কর্মসংস্থান। লেদার কমপ্লেক্স চর্মনগরীকে এশিয়ার বৃহত্তম চর্মনগরীতে পরিণত করার লক্ষ নিয়ে একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পাশপাশি বানতলায় চর্মনগরীর নতুন নামও দিলেন তিনি। নতুন নাম হল ‘কর্মদিগন্ত’। এদিন ওই সিদ্ধান্তের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, বানতলায় চর্মনগরীতে ১৮৭টি সংস্থাকে সস্তায় জমি দেবে রাজ্য সরকার। শুধু তাই নয়, এক্ষেত্রে প্রায় ৫ লক্ষ কর্মসংস্থান হবে বলে দাবি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি আরো বললেন, শুধু কলকাতা নয়, কানপুর ও চেন্নাইয়ের ব্যবসায়ীদের একত্র করে তৈরি হবে বিরাট হাব। গোটা দেশে যখন কর্মসংস্থান গুটিয়ে যাচ্ছে তখন বাংলা প্রাণ ফিরিয়ে দিচ্ছে। কর্মসংস্থান হবে ৫ লক্ষ। লগ্নি হবে ৮০ হাজার কোটি টাকা নাম দেওয়া হল ‘কর্মদিগন্ত’। এই এলাকায় শ্রমিকদের যাতায়াতের জন্য তৈরি হবে আলাদা বাসস্টপ।

দক্ষিণ পরগনায় বানতলা চর্মনগরীতে বৃহস্পতিবার ১১টি নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, চর্মনগরী নয়া প্রকল্পগুলিতে ৮০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ আসবে। কর্মসংস্থান হবে পাঁচ লক্ষ মানুষের। আগামীদিনে বানতলা থেকে তথ্যপ্রযুক্তি হাবটিকেও অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সেইসঙ্গে তিনি জানান, দেউচা পাচামিতে কয়লা খননের ছাড়পত্র এসে গিয়েছে। সেখানে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একের পর এক এমন পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন চর্মশিল্প সংগঠনের কর্তাদের। তৃণমূল জমানায় নয়া রূপে সেজে উঠছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বানতলা চর্মনগরী। কলকাতা তো বটেই, বানতলায় কানপুর ও চেন্নাইয়ে বেশ কয়েকজন চর্ম ব্যবসায়ীকে জমি দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বানতলাকে বিশ্বের বৃহত্তম চর্মনগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চায় রাজ্য সরকার। বাজার দরের থেকে অনেক কম দামে এখানে জমি পেয়েছেন কানপুর ও চেন্নাইয়ের ব্যবসায়ীরা। তবে কলকাতার চর্ম ব্যবসায়ীরা বানতলায় জমি কিনলে, তাদেরও সরকার আর্থিক সুযোগ-সুবিধা দেবে। আগামিদিন এই বানতলা চর্মনগরী থেকে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যান্ডেড জামা, জুতো রপ্তানি করা করা হবে।

 

Spread the love