জেলা প্রথম পাতা রাজ্যের খবর

তৃণমূল নেতাদের ফোনে রাতের ঘুম উড়েছে বিজেপি নেতাদের! মমতার দাবি উড়িয়ে শাসকদলে ভাঙন ধরানোই লক্ষ্য মুকুলের

নিজস্ব প্রতিনিধি: শুক্রবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় অভিযোগের সুরে বলেন, তাঁর বিধায়কদের খুব ডিস্টার্ব করছে বিজেপি। সন্ধ্যায় তারই জবাবে মুকুল রায়ের পাল্টা, “তৃণমূলের বিধায়করা টেলিফোন করে খুব বিরক্ত করছেন বিজেপি নেতাদের।”লোকসভা ভোটের আগে সৌমিত্র খাঁ, অনুপম হাজরা ও অর্জুন সিংকে বিজেপিতে এনেছেন মুকুল রায়। তাঁর হাত ধরে এসেছেন শঙ্কুদেব পন্ডাও। ভোটের পর তো সাত দফায় তৃণমূল ভাঙার হুঙ্কার দিয়েছেন মুকুল ও কৈলাস। ইতিমধ্যেই একাধিক পুরসভার কাউন্সিলর ও বেশ কয়েকজন বিধায়ক নাম লিখিয়েছেন গেরুয়া শিবিরে। ভোটের আগে থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করে আসছেন, তাঁর কাছে খবর আছে, দলের নেতাদের ফোন করে বিরক্ত করছেন এক গদ্দার। মোটা টাকা দেওয়ার প্রস্তাবও দিচ্ছেন।

এদিন তৃণমূল নেত্রীর দাবি নস্যাত্ করেন মুকুল রায়।তিনি বলেন, “তৃণমূলের কোনও বিধায়ককে বিজেপির পক্ষে বিরক্ত করার কোনও উদাহরণ দিতে পারবেন না মুখ্যমন্ত্রী। আসলে তৃণমূল বিধায়করাই বিজেপি নেতাদের টেলিফোনে বিরক্ত করে চলেছেন। সবারই এক প্রশ্ন, আমায় কবে দলে নেবেন?” শুধু মুকুল রায়ই নন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ থেকে সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ সকলেই বারবার এমন দাবি করেছেন যে, বড় সংখ্যার তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে আসার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে বলেন, তাঁর সঙ্গে ৪০ জন তৃণমূল বিধায়ক যোগাযোগ রাখছেন।এদিন তৃণমূল নেত্রীকে বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলন নিয়েও খোঁচা দেন মুকুল। অতিসম্প্রতি ওই সম্মেলন এক বছরের পরিবর্তনে ২ বছর অন্তর আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুকুল রায়ের বক্তব্য, বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলন নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করা উচিত রাজ্য সরকারের। সম্মেলনের জন্য কত টাকা খরচ হয়েছে, শিল্পে কত লগ্নি হয়েছে, তা জানাতে হবে মানুষকে।

 

 

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।