কলকাতা দেশ প্রথম পাতা

সরকার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে সাহায্য করছে না, এই মর্মে নবান্নকে চিঠি পাঠালো কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

সরকার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে সাহায্য করছে না, এই মর্মে নবান্নকে চিঠি পাঠালো কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। মঙ্গলবার বিকেলে এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব পুণ্যসলিলা শ্রীবাস্তব বলেন, “চারটি রাজ্যে আন্তঃমন্ত্রক প্রতিনিধি দল পাঠানো হয়েছিল।

 

রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং মহারাষ্ট্রের সরকার আন্তঃমন্ত্রক প্রতিনিধি দলকে ভরপুর সাহায্য করছে। কিন্তু অসহযোগিতা করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।” স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ওই যুগ্ম সচিব আরও জানান, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার আজ ফের চিঠি দিয়ে বলা হয়েছে ১৯ এপ্রিলের নির্দেশ তারা যেন পালন করে।” পুণ্যসলিলার কথায়, “বিপর্যয় মোকাবিলা আইন অনুযায়ী আন্তঃমন্ত্রক প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এর মূল উদ্দেশ্যই হল রাজ্যগুলিকে সাহায্য করা।

 

কিন্তু তা না মেনে আইন লঙ্ঘন করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কেন্দ্রের দুটি টিমের একটি কলকাতায় বসে রয়েছে দেড় দিন ধরে। অন্য টিম রাজ্য সরকারের সাহায্যের অপেক্ষায় জলপাইগুড়িতে বসে রয়েছে। তাঁদের কোথাও যেতে দেওয়া হচ্ছে না। কোনও স্বাস্থ্য কর্মীর সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না। এটা ঠিক নয়।” অবশ্য লকডাউন নিয়ে রাজ্যের ওপর যে অভিযোগ উঠেছে, তা নস্যাৎ করে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্র সাতটি জেলা হটস্পট বলে চিহ্নিত করেছে।

Dr. Harsh Vardhan, Union Health Minister has written to the Health Departments of all States/UTs to ensure adequate availability of blood in blood banks. In particular, for people needing regular blood transfusion with blood disorders: Government of India pic.twitter.com/lLOwrmboB2

— ANI (@ANI) April 21, 2020

যদিও কালিম্পংয়ে গত ২ এপ্রিলের পর কেউ আক্রান্ত হননি। জলপাইগুড়িতেও ৪ এপ্রিলের পর আক্রান্ত হননি কেউ। কেন্দ্রীয় সরকার যেভাবে সাতটি জেলা বেছে নিয়েছে তা একেবারেই কল্পনাপ্রসূত।

Spread the love