উত্তরবঙ্গ করোনা প্রথম পাতা

জেলায় প্রথম ‘সারি’ (সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ইলনেস) হাসপাতাল প্রায় চালু হতে চলেছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা,মালদা,২৮এপ্রিলঃ—জেলায় প্রথম ‘সারি’ (সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ইলনেস) হাসপাতাল প্রায় চালু হতে চলেছে। অন্যদিকে জেলার বিকল্প একটি ‘সারি’ হাসপাতাল তৈরির প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। জেলায় কোনও করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া গেলে তবেই অন্যান্য ‘সারি’ আক্রান্ত রোগীদের বিকল্প ‘সারি’ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হবে। সেক্ষেত্রে প্রথম ‘সারি’ হাসপাতালটি কোভিড-১৯ হাসপাতালে পরিবর্তিত হবে।এদিকে করোনা সন্দেহে মালদার এক ব্যাক্তিকে কেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হল এই নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দিয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদার অন্যান্য গ্রামীণ হাসপাতালের ‘সারি’ আক্রান্ত রোগীদের ‘সারি’ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হবে। এক্ষেত্রে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডের আর বিশেষ ব্যবহার হবে না। মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি থাকা অন্যান্য রোগী, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত বলে ওই সূত্র থেকে জানা গিয়েছে।মালদার যে হাসপাতালটিকে ‘সারি’ হাসপাতাল বলে চিহ্নিত করা হয়েছে সেটি রয়েছে মালদা থানার প্রায় জনমানষ থেকে অনেকটা দূরে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে। প্রয়োজন হলে এই হাসপাতালটিকে কোভিড-১৯ হাসপাটালে পরিবর্তন করার সব রকম পরিকাঠামো প্রস্তুত রয়েছে।‘সারি’ হাসপাতালে জ্বর,কাশি এবং শ্বাসকষ্টের রোগীদের রাখা হবে। ভর্তি রোগীদের লালারসের নমুনা পরীক্ষা করা হবে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। নমুনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ হলে ওই ‘সারি’ রোগীদের সাধারণ হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা করা হবে। তবে যদি কোনও ‘সারি’ রোগীর লালারসের নমুনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে তবে তাকে ওই হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা করা হবে। এমন ক্ষেত্রে ‘সারি’ হাসপাতালটি ‘কোভিড-১৯’ হাসপাতালে রূপান্তরিত হবে। বাকি ‘সারি’ রোগীদের সেক্ষেত্রে বিকল্প ‘সারি’ হাসপাতালে লালারসের নমুনা পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত রাখা হতে পারে।জাতীয় সড়কের ধারে যে ‘সারি’ হাসপাতালটি রয়েছে তাতে প্রায় ৭০টি শয্যা রয়েছে। রয়েছে যথেষ্ট সংখ্যক ভেন্টিলেটর ও ডায়ালিসিস যন্ত্রের ব্যবস্থাও। পূর্ত দফতরের মাধ্যমে হাসপাতালটির চারপাশে অস্থায়ী বাউন্ডারিও করা হচ্ছে বলে প্রশাসন সুত্রে জানা গিয়েছে।
অন্যদিকে বিকল্প ‘সারি’ হাসপাতালে প্রায় ৭৫টি শয্যা রয়েছে।উল্লেখ্য,মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে প্রায় ৬০টি শয্যা রয়েছে। এরই মধ্যে করোনা সন্দেহে মালদার এক বাসিন্দাকে কেন স্থানান্তর করা হল ঊত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে। তাহলে কি নামেই পরিসেবা। বাস্তবিক কোন চিকিৎসা জেলায় নির্ধারিত জায়গায় পর্যাপ্ত পরিমানে নেই। মানুষের নজর ঘোরাতে এই ব্যবস্থা।
মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যক্ষ ডাঃ অমিত দাঁ বলেন, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ১২৮জন রোগীর লালারসের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে মেডিক্যালের আইসিএমআর (ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ) অনুমোদিত পরীক্ষাগারে। রিপোর্ট আসলে সমস্ত তথ্য জানা যাবে। আমদের এখানে সমস্ত রকম ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

Spread the love