দেশ প্রথম পাতা রাজনৈতিক

অচলাবস্থা অব্যাহত কর্ণাটকে, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ বিদ্রোহী বিধায়করা

নিজস্ব প্রতিনিধি—  রাজনৈতিক সংকট অব্যাহত কর্নাটকে। বিধানসভার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন বিদ্রোহী কংগ্রেস-জেডিএস বিধায়করা। সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করছেন না কর্ণাটকের রাজ্যপাল কে আর রমেশ কুমার। তিনি আমাদের রেজিগনেশান নিতে দেরি করছেন। এই বলে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ জানালেন কর্ণাটকের ১০ বিদ্রোহী বিধায়ক। তাঁদের মধ্যে কংগ্রেস ও জেডি এস, দুই দলের এমএলএ-রাই আছেন। তাঁদের হয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের এজলাসে আবেদন পেশ করেন প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগি। তার ওপরে দ্রুত শুনানির জন্য তিনি অনুরোধ করেন। প্রধান বিচারপতি বৃহস্পতিবারই আবেদন শুনতে রাজি হয়েছেন।

মঙ্গলবারই স্পিকার রমেশ কুমার আট বিধায়কের ইস্তফাপত্র বাতিল করে দেন। তিনি বলেন, ওই বিধায়করা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ইস্তফাপত্র পেশ করেননি। তাঁর জানা দরকার, বিধায়করা স্বেচ্ছায় ইস্তফা দিতে চাইছেন কিনা।

এরপর বুধবার সকাল থেকে মুম্বইয়ের এই বিলাসবহুল হোটেলের সামনে শুরু হয় নতুন নাটক। এদিন হোটেলে ঢুকতে গেলে বাধা দেওয়া হয় প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ডিকে শিবাকুমারকে। হোটেলের গেটের সামনে তাঁকে আটকে দেয় পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীরা। কংগ্রেস নেতাকে পুলিশের তরফে জানানো হয়, পদত্যাগী বিধায়করা মনে করছেন তিনি হোটেলে এলে তাঁদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। শিবকুমার বলেন, ‘ওদের কাজ করতে দিন। আমরা বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। রাজনীতিতে একসঙ্গে আমাদের জন্ম। রাজনীতিতে একসঙ্গেই মৃত্যু হবে আমাদের। ওঁরা আমার দলের কর্মী। তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে হবে। আমি ওঁদের অপহরণ করতে আসিনি। আমার হাতে কোনও অস্ত্রও নেই। পুলিশও আমার সঙ্গে যেতে পারে।’

হোটেলের বাইরে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার শিবকুমারকে বলেন, স্যার আপনাকে হোটেলের কয়েকজন বোর্ডার ভয় পাচ্ছেন। তাঁরা পুলিশকে চিঠি দিয়েছেন। এই অবস্থায় আপনাকে ভিতরে ঢুকতে দিতে পারি না।

এদিকে, পুলিশের সঙ্গে যখন শিবকুমারের তর্কাতর্কি চলছে, বিদ্রোহী বিধায়কদের সমর্থকরা ‘গো ব্যাক’ ধ্বনি দেন। শিবকুমার বলেন, কেউ আমার বিরুদ্ধে স্লোগান দিলে ভয় পাই না। আমি নাকি নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক। সেজন্য আমাকে হোটেলে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। মহারাষ্ট্র সরকারের প্রতি আমার যথেষ্ট আস্থা রয়েছে।

Spread the love