কলকাতা জেলা প্রথম পাতা

বেঁফাস মন্তব্যের জেরে বিজেপি প্রার্থী সায়ন্তন বসুকে শোকজ করল কমিশন

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যের রাজনীতিতে ভোট আসলেই খানিকটা রসিকতার মুডেই চলে যান বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। তবে কেষ্টর কথাকে হাতিয়ার করেই ভোট ময়দানে বাজিমাৎ করতে নেমে পড়েন বিরোধী নেতারা। পুলিশের গাড়িতে বোম মারুন, জ্বালিয়ে দিন, গুড়-বাতাসা থেকে চড়াম-চড়াম বললেই  এত দিন বাংলার রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডলের নামই আসত। এ বার বিজেপি-তে তাঁর দোসর হলেন সায়ন্তন বসুও। বসিরহাটের সভা থেকে তৃণমূল থেকে পুলিশ, সবার উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি ছুড়ে দিলেন সায়ন্তন। তিনি বলেন,নির্বাচনের দিন বুথ যদি দখল করতে আসে, সেই শাহজাহান হোক আর ঔরঙ্গজেব হোক  সিআরপিএফ-কে বলে দেব গুলি যেন বুক লক্ষ্য করে যায়। গুলি যেন পা লক্ষ্য করে না যায়।এমন বাড়াবাড়ি দেখানো হবে দৌড়ানো তো দূরের কথা, যাবে দৌড়ে, ফিরবে খাটিয়াতে করে। সেই ব্যবস্থা আমরা করে দেব।বসিরহাটে ভাল ভাল ডাব পাওয়া যায়। আর ডাব কাটার দা’গুলোও খুব ভাল হয়। রাস্তা দিয়ে মহিলারা দা নিয়ে বেরবে।

দু’চারটেকে দেখতে পেলে একদম সাবাড় করে দিয়ে আসবে। ভোটের দিন এই এলাকা জুড়ে বিএসএফ আর সিআরপিএফ থাকবে।এরপরই সায়ন্তন বসুর বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবারই বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী সায়ন্তন বসুর বক্তব্য সম্পর্কে রিপোর্ট তলব করে নির্বাচন কমিশন। উত্তর ২৪ পরগনা জেলাশাসক অন্তরা আচার্যের কাছ থেকে সায়ন্তন বসুর সম্পর্কে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়।আর এবার সায়ন্তন বসুর মন্তব্যের জন্য তাঁকে শোকজ করলেন জেলা নির্বাচন আধিকারিক। কেন তিনি এই মন্তব্য করেছেন? তা জানতে চেয়ে জেলা নির্বাচন আধিকারিকের পক্ষ থেকে শোকজ করা হয়েছে সায়ন্তন বসুকে। শোকজের প্রেক্ষিতে উত্তর ২৪ পরগনা তৃণমূল জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সাধুবাদ জানিয়েছেন কমিশনের পদক্ষেপকে। তিনি বলেন,  “নির্বাচনী প্রচারে যেভাবে গালিগালাজ ব্যবহার করা হচ্ছে,  তা ভাবা যায় না। আমরা অভিযোগ করেছিলাম সায়ন্তন নিয়ে।কমিশন ব্যবস্থা নিয়েছে।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।