কলকাতা প্রথম পাতা

‘দিদির’ সাথে ফোনে কথা বলা অত সহজ নয়! ওয়েলকাম টু ‘দিদিকে বলো’, কিন্তু তারপর?

নিজস্ব প্রতিনিধি: দিদিকে ফোনে পাওয়াটা পুরোপুরি সহজ নয়। প্রথমে সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে তারপর সেই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতে পারলে সেই ফোনের ফোনের লাইন ট্রান্সফার করা হবে দিদির কাছে। তাও যথেষ্ট কাঠখড় পুড়িয়ে তবেই আপনি কথা বলতে পারবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সাথে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে নিদান দিয়েছেন কোনও সমস্যা বা মতামত থাকলে এ বার যে কেউ সরাসরি ফোন করতে পারবেন মুখ্যমন্ত্রীকে। যে কর্মসূচির পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে, ‘দিদিকে বলো!’ ৯১৩৭০৯১৩৭০ এখন দিদিকে পাওয়ার নম্বর এটি।

কিন্তু ফোন নম্বর অফিসিয়ালি পাওয়ার পর সেই নম্বরে ফোন করা হলে রীতিমতো ঘাবড়ে গিয়েছিলেন ফোনের ওপারে থাকা মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিনিধিরা। ফোনের ওপার থেকে একজন বললেন, “ওয়েলকাম টু দিদিকে বলো। আপনাকে স্বাগত।” তারপরেই ওপার থেকে উড়ে এল প্রশ্ন বাণ। প্রথমে নাম, বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা। এর পরে পেশা। একটা দুটো প্রশ্ন শোনার পর মনে হল সঙ্গে আধার কার্ড থাকলে বেশ সুবিধা হত। পিনকোড থেকে থানা, ব্লক (পুরসভা বললে হবে না) সব বলার শেষে এল‌ মোক্ষম প্রশ্ন– “গ্রামে থাকেন না শহরে?”  গোটা গোটা বাক্যে কল সেন্টারের সুরে ধন্যবাদ পর্ব মিটিয়ে বলা হল– এবার আপনার লাইনটি ‘মমতা দিদি’র অফিসে দেওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর অফিসে নম্বর ট্রান্সফার হওয়ার পর ফোনের ওপার থেকে জানতে চাওয়া হল,  আপনার কী উপকার করতে পারি। দ্বিতীয় বার নিজের নাম বলতে যেতেই তিনি জানালেন, সব কিছুই স্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে। এখন শুধু দিদিকে কী বলতে চাই সেটা বলতে হবে। আর কী বলতে চাই সেটা জানালেই ঠিক হবে কবে কখন দিদির সঙ্গে কথা বলা যাবে। জানানো হবে সাক্ষাৎকারের সময়। তবে একটাই শর্ত প্রাথমিক ভাবে তাঁকেই বলতে হবে কী দরকার আর কী কথা। কিছু না বললে সরাসরি দিদিকে পাওয়ার কোনও আশা নেই। তবে তাও মুখ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলার জন্য যে নম্বর অফিসিয়াল রিলিজ হয়েছে তা নিয়ে নতুন আশায় বুক বাঁধছেন তৃণমূল কর্মী সর্মথক থেকে সাধারন মানুষ। তাদের অনেকেরই বক্তব্য এবার কোন অসুবিধা হলে আর অন্যদের ওপর ভরসা  না রেখে সরাসরি দিদিকে বলতে পারব। সেখান থেকেই পাওয়া যাবে সমাধান।

হাইওয়ে ছাড়া বাজবে না হুটার! মন্ত্রীদের গাড়িতে লালবাতির গন্ডি কেটে দিলেন মমতা

Spread the love