দেশ প্রথম পাতা

মহুয়ার পাশে দাঁড়িয়ে ‘ব-কলমে’ সুধীর চৌধুরীকে সপাটে চড় মার্কিন লেখকের! বললেন, একজন সাংসদকে চুরির মিথ্যে অভিযোগ সহ্য করতে হয়েছে

নিজস্ব সংবাদদাতা: গত সপ্তাহেই লোকসভায় বক্তব্য রেখেছিলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। নিজের বক্তব্যে ফ্যাসিবাদের সাতটি লক্ষণ উল্লেখ করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন মহুয়া। তারপরেই তাঁর বক্তব্য ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁর দাপুটে ভাষণ দেখে সবাই একযোগে তারিফ করছেন। অনেকে প্রশংসা করলেও কেউ কেউ আবার দাবি করতে থাকেন, মহুয়ার ভাষণ নাকি নকল করা। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে সম্প্রতি দাবি করা হয়, মহুয়া মৈত্র সংসদে নকল ভাষণ দিয়েছেন৷

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত আসল নথি ও তৃণমূল সাংসদের ভাষণ পাশাপাশি প্রকাশ করা হয়। ওই নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি ওয়াশিংটন মান্থলি নামে এক পত্রিকায় প্রকাশিত ‘ওয়ার্নিং সাইনস অফ ফ্যাসিজম’ শীর্ষক প্রতিবেদনের বেশ কয়েকটি পংক্তি পুরোপুরি তাঁর ভাষণে ব্যবহার করেছেন মহুয়া। কিন্তু কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেননি তৃণমূল সাংসদ। এর মধ্যেই আবার মহুয়ার পাশে দাঁড়ালেন ‘‌ওয়াশিংটন মান্থলি’‌তে লেখা “ফ্যাসিবাদের ১২টি অগ্রিম লক্ষণ” শীর্ষক প্রতিবেদনটির লেখক মার্টিন লংম্যানকে। মজা করে টুইটে মার্টিন লেখেন, ‘আমি এখন ভারতের নেটদুনিয়ায় বিখ্যাত হয়ে গেছি। কারণ একজন সাংসদকে আমার লেখা চুরির মিথ্যে অভিযোগ সহ্য করতে হয়েছে। এটা খুবই মজার ব্যাপার। প্রত্যেক দেশেই উগ্র দক্ষিণপন্থীরা একরকম।‌’  ‘‘শুধুমাত্র একজন রাজনীতিকের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আক্রমণ করে আমার লেখাটি দেশজুড়ে বিখ্যাত হয়ে গিয়েছে৷ কারণ একজন রাজনীতিকের বিরুদ্ধে আমার লেখার মিথ্যা চুরির অভিযোগে করা হচ্ছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে নকল করার যে অভিযোগ উঠেছে, তা একেবারেই ভিত্তিহীন৷ এটা হাস্যকর ছাড়া কিছুই নয়৷’’ বুধবার, মহুয়া মৈত্রও একটি বিবৃতি জারি করে বলেছেন, “চুরির বিষয়টি তখন হয় যখন কেউ লেখার উৎস প্রকাশ করে না। আমার বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা ছিল ড: লরেন্স ডব্লিউ ব্রিট দ্বারা পরিচালিত হোলোকাস্ট মিউজিয়ামের পোস্টারের ব্যাপারে।”আসল ইস্যু থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘোরাতেই এহেন কুৎসা রটানো হচ্ছে বলেও দাবি তৃণমূল সাংসদের৷

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।