কলকাতা প্রথম পাতা বিনোদন লগডাউন

‘চা খাব না আমরা? আমরা খাব না চা?’সেই চাকাকুর ভালো থাকার দায়িত্ব নিলেন মিমি!

চায়ে চায়ে সমাপতন। ‘চা বিক্রেতা থেকে প্রধানমন্ত্রী’ নরেন্দ্র মোদীর ডাকা জনতা কারফিউয়ের দিন পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে আলোচিত ও বহুচর্চিত ‘ডায়লগ’ হয়ে উঠেছিল এই নিরীহ দুটি প্রশ্ন–
‘চা খাব না আমরা? আমরা খাব না চা?’
জনতা কারফিউয়ের দিন কেন চায়ের দোকানে? প্রশ্নের জবাবে উঠে এসেছিল এই কথা দুটো। যিনি প্রশ্নকর্তাকে পালটা প্রশ্ন করেছিলেন, তাঁর নাম মৃদুল দেব। সাকিন দক্ষিণ কলকাতার শ্রী কলোনি।
সেদিনের সেই ভিডিয়ো সামনে আসতেই মুহূর্তে ভাইরাল হয়। বিখ্যাত হয়ে যান মৃদুল। সেই ভাইরাল চা কাকুর দায়িত্ব নিলেন তৃণমূল সাংসদ ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। তাঁর সারা জীবনের অন্নসংস্থানের দায়িত্ব নিলেন মিমি। শুধু মাত্র খাবার এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠিয়েই যে কাজ সারলেন তা নয়, ভিডিয়ো কলে তাঁর সঙ্গে কথাও বললেন যাদবপুরের সাংসদ।
সরকারি নির্দেশকে উপেক্ষা করে কেন রাস্তায় চা খেতে, সেই প্রশ্নও উঠে আসে নেটিজেনদের মুখে। তাঁকে নিয়ে তৈরি হয় মিম, চলতে থাকে চটুল রসিকতাও। চারিদিকে তখন ‘চা কাকু’কে নিয়ে হৈচৈ। কিন্তু দিনমজুরি করে সংসার চালান মৃদুল দেব। সংসারে অনটন। স্ত্রী, ছেলে ও অসুস্থ এক বোনের দায়িত্ব মৃদুলবাবুর। এই লকডাউনে কীভাবে সংসার চলবে তাঁর? একথা জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গেই মৃদুল বাবুর পাশে দাঁড়ালেন সাংসদ, অভিনেত্রী মিমি। চাল, ডাল, চা পাতা-সহ সংসারের প্রয়োজনীয় সমস্ত জিনিসপত্র মৃদুল বাবুর জন্য পাঠিয়ে দিলেন মিমি চক্রবর্তী। আশ্বাস দিলেন, যখন যা প্রয়োজন তা ফোন করে জানাতে সাংসদের দেওয়া একটি নম্বরে।
সাংসদ অভিনেত্রীর কাছ থেকে পাশে থাকার আশ্বাস পেয়ে বাড়ির বাইরে বের হবেন না বলে কথা দিয়েছেন মৃদুল বাবু নিজেও। পাশাপাশি, ছেলের জন্য একটি চাকরির আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

Spread the love