কলকাতা প্রথম পাতা বিনোদন

রবীন্দ্র কন্ঠে নতুন করে বাঁচার আশা জাগছে 101 নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মনে।

নিজস্ব প্রতিনিধি – মন ভাল করতে মিউজিক থেরাপি। করোনা আবহে বিষাদ মুক্তি সেই রবীন্দ্রনাথের হাত ধরেই। শহর কলকাতার 101 নম্বর ওয়ার্ডের অলিতে গলিতে শোনা যাচ্ছে কালজয়ী রবীন্দ্র সংগীত।”অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো” সহ বিভিন্ন জীবনমুখী গান।
করোনা আতঙ্কে বদলে গেছে “আনন্দের শহর” কলকাতার আবহ। জনমানব শূন্য রাস্তাঘাট, কান পাতলে কোলাহল শুনতে পাওয়াটা আজ যেন ইতিহাস। রাস্তাঘাট জুড়ে এখন শুধুই নিস্তব্ধতা, আর মনে বিষাদ- আতঙ্ক।

 

লকডাউন এর মধ্যে সাধারণ মানুষের মন ভালো রাখতে তাই এবার মিউজিক থেরাপি দিতে উদ্যোগ নিলেন কলকাতা পুরসভার 101 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাসগুপ্ত ও পাটুলি থানার পুলিশ। ওয়ার্ডের অন্তর্গত পাটুলি উপনগরী, রায়পুর ও বিননগর সহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে পাড়ায় পাড়ায় বিকেল পাঁচটা থেকে সন্ধ্যে সাতটা পর্যন্ত মাইক বাজিয়ে শোনানো হবে রবীন্দ্র সংগীত। মূলত বেছে নেয়া হচ্ছে “মোটিভেশনাল সং”।শুধু রবীন্দ্রসংগীত নয়, বাংলায় প্রবাদপ্রতীম গায়কদের বেশ কিছু নির্বাচিত গান শোনানো হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে 101 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত জানান, সাধারণ মানুষ যাতে একঘেয়েমি থেকে মুক্তি পান তার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

একই গান যাতে বারবার না চলে সেজন্য তিন দিন ছাড়া বদলে দেওয়া হচ্ছে গান ভর্তি পেনড্রাইভ। একই গান শুনতে শুনতে যাতে সাধারণ মানুষের মনে একঘেয়েমি না আসে সেই জন্যই এই পদক্ষেপ বলে জানান এলাকার কাউন্সিলর। তাঁর কথায়, গানের পাশাপাশি প্রতি 15 মিনিট অন্তর শোনানো হচ্ছে লকডাউন মানার আবেদন এবং করোনা মোকাবিলায় সচেতনতা বার্তা। আতঙ্ক নয়, নতুন করে সাধারণ মানুষকে জীবনমুখী করতেই এই উদ্যোগ বলে জানান বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত।
এদিকে এলাকায় রবীন্দ্র সংগীত শোনানোর উদ্যোগে কার্যত খুশি এলাকাবাসী। এলাকার বাসিন্দা সনৎ বিশ্বাসের কথায়, বাড়ি থেকে বার হতে পারছেন না তাঁরা । সিরিয়ালগুলিও আপাতত বন্ধ। বই পড়ে, ঘরের মধ্যে পায়চারি করেই দিন কাটছে। এই সময় রবীন্দ্র সংগীত শুনতে পেয়ে ভাল লাগছে, জানান তিনি।

Spread the love