খেলাধুলা প্রথম পাতা

শতবর্ষের মঞ্চে নেমন্তন্ন করেননি লাল-হলুদ কর্তারা, আক্ষেপের সুরেই অভিমানী স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাঙালী মানেই ফুটবল। আর ময়দান মানেই ইষ্টবেঙ্গল-মোহনবাগান।বৃহস্পতিবারই হয়েছে লাল-হলুদ ক্লাবের শতবর্ষ পূর্তির অনুষ্ঠান। তা নিযে সেজে উঠেছিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব থেকে নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়াম। প্রতিষ্ঠা দিবসের উৎসব ঘিরে লাল-হলুদ সমর্থকদের উত্তেজনাও ছিল তুঙ্গে। ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। প্রাদেশিকতার গন্ধ মাখা এই নামেই যতো বিতর্ক। আবার এই নামেই মিশে রয়েছে আবেগের আতিশয্য।ইষ্টবেঙ্গল মানেই বাঙালী আবেগ।‘গর্বের একশো’, ‘স্পর্ধার একশো’ এবং আরও অনেক কিছু। নজরুল মঞ্চে সবুজ বাঁচানো নিয়ে অনুষ্ঠানের পর নেতাজি ইন্ডোরে লাল-হলুদের অনুষ্ঠানে ঢুঁ মেরে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  ইস্টবেঙ্গলের শত বর্ষ অনুষ্ঠানের মঞ্চে নাম না করে বিধেঁছিলেন মেঘালয়ের রাজ্যপাল তথাগত রায়কে। মমতা বললেন,’এপার বাংলায় জন্মগ্রহণ করেছি বলে ইস্টবেঙ্গলকে সমর্থন করব না! এটা হতে পারে না’। কিন্তু সব ঠিকঠাক মিটেছে অথচ শতবর্ষের অনুষ্ঠানের ‘বরিশালের ছেলেকে’ আমন্ত্রণই করলেন না ইস্টবেঙ্গলের কর্মকর্তারা। বারুইপুর পশ্চিমের বিধায়ক তথা বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগত ভাবে এতে মর্মাহত। সেই সঙ্গে তীব্র অসন্তোষও রয়েছে তাঁর। সে কারণ অবশ্য অন্য।বৃহস্পতিবার ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষের অনুষ্ঠানের উদযাপন হয়েছে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “ক্লাবের পুরনো অনেক সদস্যকেই আমন্ত্রণ করা হয়নি। বিধানসভার স্পিকারকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। স্পিকার পদ একেবারেই অরাজনৈতিক পদ। বিধানসভার নাকের ডগায় ক্লাবগুলো অবস্থিত। অথচ বিধায়কদের কোনও ম্যাচে আমন্ত্রণ জানানো হয় না। এ ধরনের কাজ খুবই নিন্দাজনক। এ ধরনের কাজকে আমি নিন্দা করি”।

 

Spread the love