দেশ প্রথম পাতা

রেলের খাবারে টিকটিকি! রেলকে ঠকিয়ে ফ্রি-তে খেতে ভয়ানক ফন্দি এঁটেছিলেন ৭০-র এক বৃদ্ধ

নিজস্ব প্রতিনিধি : ট্রেনে ফ্রি-তে খাবার খেতে ভয়নাক ফন্দি এঁটেছিলেন ৭০-র এক বৃদ্ধ। সকালের খাবার থেকে শুরু করে মধ্যাহ্নভোজ-সব খাবারেই নাকি টিকটিকি পড়েছে বলে দাবি করেন ওই বৃদ্ধ। তবে রেল কতৃপক্ষ তার এই ফন্দি ধরে ফেলেছিল।

প্রথমে জব্বলপুরে এবং পরে গুন্টকাল স্টেশন, পরপর দুই স্টেশনে একই ঘটনা দেখে সন্দেহ হয় রেলের ডিভিশনার কমার্শিয়াল ম্যানেজারের। নড়েচড়ে বসে রেল কর্তৃপক্ষ। বারবার এমন ঘটনার পর সন্দহ হয় ডিভিশনার কমার্শিয়াল ম্যানেজারের। রেল ডিভিশন কর্মীদের সুরেন্দ্র পাল নামে ওই বৃদ্ধের ছবি পাঠিয়ে সতর্ক করে দিয়েছিলেন ডিভিশনার কমার্শিয়াল ম্যানেজার। জানা গেল ফ্রি-তে খাবার খেতে নিজেই খাবারে টিকটিকি মেশাতেন ওই বৃদ্ধ

জবলপুরের সিনিয়র ডিসিএম বসন্ত কুমার শর্মা জানান, ‘তিনি একই ব্যক্তি। ১৪ জুলাই জবলপুর স্টেশনে তিনি যে সিঙারা খেয়েছিলেন, তাতে টিকটিকি পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এরপর গুন্টকুল স্টেশনে তিনি দাবি করেন, তাঁকে দেওয়া বিরিয়ানিতেও একটি টিকটিকি মিলেছে। এতেই আমার সন্দেহ হওয়ায় সিনিয়র ডিসিএম-কে সতর্ক করি। ফ্রি-তে খাবার পাওয়ার জন্য এই কাজ করেন এই বৃদ্ধ।’

গুন্টকুল স্টেশনে রেলের উচ্চপদস্থ কর্মীরা বৃদ্ধকে চেপে ধরলে তিনি সব কথা স্বীকার করে নেন। তাঁদের কথপোকথনের একটি ভিডিয়োও রেকর্ড করা হয়েছে। এবং তাঁরা ওই বৃদ্ধকে আশ্বাস দেন যে, এই কাজ আর করবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দিলে বৃদ্ধের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

এরপরই ওই বৃদ্ধকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘আমি ভুল করেছি। আমি একজন বৃদ্ধ ও মানসিক ভারসাম্যহীন। আমার ব্লাড ক্যান্সার আছে। ওটা টিকটিকি নয়, আমি মানসিক অসুস্থতার জন্য একধরনের মাছ খাই ওটা সেই মাছই। দয়া করে আমায় ছেড়ে দিন।’

Spread the love