দেশ প্রথম পাতা

রাহুলের পথেই হাঁটছেন কংগ্রেসের শীর্ষনেতারা, কমলনাথের পর এবার ইস্তফা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, মিলিন্দ দেওরার

নিজস্ব সংবাদদাতা: লোকসভা ভোটে দলের ভরাডুবির পরেই কংগ্রেসের সভাপতির পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন রাহুল গান্ধী। যদিও কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির কোন অনুরোধই রাহুল নেন নি। শেষে দলের সভাপতি পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন রাহুল। শেষে অন্তর্বর্তী সভাপতি হিসেবে ৯০ বছরের মতিলাল ভোরাকে দায়িত্ব দিয়েছে দল।কিন্তু এখানেই ইস্তফার হিড়িক শেষ হয় নি।রাহুল গান্ধীর পর এবার জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। আরও একটি উইকেট পড়ল কংগ্রেসের। দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ ছাড়লেন গুণার প্রাক্তন সাংসদ।

লোকসভায় পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের ৪০টি আসনের পর্যবেক্ষক ছিলেন সিন্ধিয়া। সেই সঙ্গে মধ্যপ্রদেশের গুণা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থীও ছিলেন তিনি। জ্যোতিরাদিত্যের পর্যবেক্ষণে থাকা কোনও আসনেই জেতেনি কংগ্রেস। এমনকী তিনি নিজে পারিবারিক গড় গুণা থেকে পরাজিত হয়েছেন।হারের যাবতীয় দায় নিয়ে, এবার সরে দাঁড়ালেন জ্যোতিরাদিত্য। তাঁর পাশাপাশি মুম্বইয়ের কংগ্রেস প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মিলিন্দ দেওরাও।জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া টুইট করে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। টুইটে তিনি লিখেছেন, “মানুষের সিদ্ধান্ত আমরা মাথা পেতে নিয়েছি। উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেসের সম্পাদক হিসেবে এই হারের দায় আমার। তাই আমি রাহুল গান্ধীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে দিয়েছি। আমার উপর বিশ্বাস রেখে এত বড় দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই।” মুম্বইয়ের কংগ্রেস নেতা মিলিন্দ দেওরাও রবিবার রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন।ইতিমধ্যেই অন্তত ২০০ নেতা পদত্যাগ করেছেন। রাহুল নিজে সরে দাঁড়ানোর পর তাঁর ঘনিষ্ঠরাও একে একে পদত্যাগ করা শুরু করেছেন। তবে, এখনও পর্যন্ত তালিকায় সবচেয়ে বড় নাম সিন্ধিয়া। তাঁর পদত্যাগের ফলে, মধ্যপ্রদেশেও ধাক্কা খেল কংগ্রেস। কারণ, ইতিমধ্যেই দলের রাজ্য সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। ইস্তফা দিয়েছেন, দলের আরও দুই বর্ষীয়ান নেতা।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।