উত্তরবঙ্গ প্রথম পাতা লগডাউন

ত্রান বিলি করে ফেরার পথে সাংসদকে আটকে দিল পুলিশ, জাতীয় সড়কে বসে ঘটনার প্রতিবাদ জানালেন সুকান্ত মজুমদার।

নিজস্ব সংবাদদাতা, বালুরঘাট, ২৮ এপ্রিল–করোনায় দুর্গত মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে ত্রান সামগ্রী বিলি করে ফেরার পথে মাঝ রাস্তায় আটকে দেওয়া হল বালুরঘাটের সাংসদকে । মঙ্গলবার সকালে গঙ্গারামপুর থেকে ফিরছিলেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার । পথে রামপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সাংসদের গাড়ি আটকে দেয় পুলিশ প্রশাসন । ঘটনার প্রতিবাদে জাতীয় সড়কের উপর বসে পড়েন সাংসদ । নাটকীয় ভাবে যেখান থেকে পুলিশি ঘেরাটোপে সাংসদকে বাড়িতে এনে ঘরবন্দি করা বলে অভিযোগ । শুধু তাই নয়, পুলিশ কর্মী বসানো হয়েছে সাংসদের বাড়িতে । করোনার ত্রান বিলি নিয়ে রাজনৈতিক ফয়দা লুটতে এমন কাজে লাগানো হচ্ছে পুলিশকে অভিযোগ সাংসদের । যদিও পুলিশ কর্মীদের দাবী হোমকোয়ারেন্টাইন ভাঙায় সাংসদকে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ।
সাংসদ সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, তৃণমূলের নেতানেত্রীরা যেখানে লকডাউন ভেঙ্গে জেলা চষে বেড়াচ্ছেন সেখানে বিজেপির জনপ্রতিনিধিদের কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না । মিথ্যে অভিযোগ তুলে তাঁকে কোয়ারেন্টাইনে থাকার চিঠি দিয়েছেন মহকুমা শাসক । তিনি তাঁর উত্তর চেয়ে পাল্টা চিঠি দিলেও তা পান নি মহকুমা প্রশাসনের কাছে ।
উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার লকডাউনে সমস্যায় পড়া কিছু মানুষের অসুবিধা মেটাতে হিলি যাবার পথে সাংসদের পথ আটকে দেয় পুলিশ প্রশাসন । এবারে ফের একই কায়দায় সাংসদের গাড়ি আটকে দেয় পুলিশ । একই সাথে লকডাউন না মানার অভিযোগে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলে সাংসদকে চিঠি দেন বালুরঘাট মহকুমা শাসক । যদিও সেই চিঠির সঠিক ব্যখ্যা চেয়ে কোন উত্তর পাননি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলে দাবী করা হয়েছে । সাধারণ মানুষের বিপদের দিনে ইচ্ছে করে তাঁকে তাঁদের পাশে দাঁড়াতে বাঁধা দিচ্ছে পুলিশ প্রশাসন বলে অভিযোগ সাংসদের । শাসক দলকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই কি এমন কাজ পুলিশের প্রশ্ন উঠছে তা নিয়েও ।
ডিএসপি সদর ধীমান মিত্র জানিয়েছেন, এসডিও ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন । তা না মেনে বাইরে বেড়িয়েছিলেন সাংসদ । যার কারণেই তাঁকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ।

Spread the love