কলকাতা প্রথম পাতা লগডাউন

চির ঘুমের দেশে চলে গেলেন নাট্যকর্মী ঊষা গঙ্গোপাধ্যায় ।

চির ঘুমের দেশে চলে গেলেন নাট্যকর্মী ঊষা গঙ্গোপাধ্যায়। দক্ষিণ কলকাতার নিজের বাড়িতেই মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁকে। দক্ষিণ কলকাতার সাউথ সিটির উল্টো দিকে নিজের বাড়িতে একাই থাকতেন তিনি। আজ সকালে গৃহপরিচারিকা এসে দেখেন বাড়ির দরজা খোলা।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার
তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ
নবান্ন
৩২৫, শরৎ চ্যাটার্জি রোড
হাওড়া- ৭১১১০২

স্মারক সংখ্যাঃ ৮০/আইসিএ/এনবি
তরিখঃ ২৩/০৪/২০২০

মুখ্যমন্ত্রীর শোকবার্তা

বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব ঊষা গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি।আজ সকালে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। বয়স হয়েছিল ৭৫। ১৯৭৬ সালে তিনি থিয়েটার গ্রুপ ‘রঙ্গকর্মী’ স্থাপন করেন। তাঁর পরিচালিত ও অভিনীত নাটকগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য মহাভোজ, রুদালি, কোর্ট মার্শাল, অন্তর্যাত্রা। ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে গিরিশ পুরস্কার-এ সম্মানিত করে।
তিনি সঙ্গীত নাটক আকাদেমি পুরস্কারেও ভূষিত হন।
আমি ঊষা গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিবার- পরিজন ও অনুরাগীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ঊষা গঙ্গোপাধ্যায় মাটিতে সম্পূর্ণ অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। এরপর ওই পরিচারিকা পাড়ার লোকজন ডাকেন এবং পুলিশে খবর দেওয়া হয়। কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হল তা বুঝতে ঊষা গঙ্গোপাধ্যায়ের দেহ পোস্টমর্টেমে পাঠানো হয়েছে।

 

তিনি ১৯৪৫ সালে রাজস্থানের যোধপুর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। মাতৃভাষা হিন্দি হলেও বাংলা থিয়েটারে তিনি রেখেছেন অসামান্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর। পরিচালক-অভিনেত্রী এবং সক্রিয় সমাজকর্মী হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন। সত্তর ও আশির দশকে কলকাতা শহরে হিন্দি থিয়েটারের রূপায়ণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ঊষাদেবী।

১৯৭৬-এ রঙ্গকর্মী গ্রুপ থিয়েটার প্রতিষ্ঠা করেন, সেই দলের প্রযোজনায় ‘মহাভোজ’, ‘রুদালি’, ‘কোর্ট মার্শাল’ এবং ‘অন্তর্যাত্রা’-র মতো নাটকগুলো পরিবেশিত হয়। ১৯৯৮-এ ‘সংগীত নাটক অ্যাকাডেমি’ থেকে ঊষা গঙ্গোপাধ্যায় পুরস্কার পেয়েছিলেন। এ ছাড়া ‘গুড়িয়া ঘর’ নাটকে অভিনয়ের জন্যে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক শ্রেষ্ঠ অভিনেতার সম্মানও অর্জন করেছিলেন। ঊষা গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে নাট্য ও সংস্কৃতি জগতে শোকের ছায়া নেমে আসে

Spread the love