কলকাতা প্রথম পাতা

‘সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ কর্মসূচীতে অনেক সচেতন হয়েছে সাধারণ মানুষ, পুলিশের প্রশংসা করে জানালেন পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০১৬ সালের এই দিনটিতে,৮ জুলাই, পথ দুর্ঘটনা কমানোর উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে চালু হয়েছিল ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ কর্মসূচি। আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সেই থেকে লাগাতার চলেছে মানুষকে সচেতন করার যথাসাধ্য প্রয়াস। সুফল যে মিলেছে, রাজ্যজুড়ে পথ দুর্ঘটনার দ্রুত কমতে থাকা হারেই স্পষ্ট। সেই পরিসংখ্যান তুলে ধরে আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাগরিকদের সচেতন করে বলেন, “শেষ এক-দু’ মিনিটের জন্যও রাফ ড্রাইভিং করবেন না৷ একটু আগে বেরোন। আমি তো ট্রেড মিল একটু কম করি। যাতে রাস্তায় বেরিয়ে তাড়াহুড়ো করতে না হয়।” মুখ্যমন্ত্রী পরিসংখ্যান দিয়ে জানান, শুধু কলকাতা নয়, গোটা রাজ্যেই দুর্ঘটনা আগের থেকে কমেছে। কমেছে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুও। তিনি বলেন, “২০১৬ সাল থেকে ১৮ সাল পর্যন্ত দুর্ঘটনার সংখ্যা ৩৫ শতাংশ কমেছে। পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে ২৭ শতাংশ। ২০১৬ সালে কলকাতায় ৪০৭ জন মারা গিয়েছিল। ২০১৮তে ২৯৪ তে নেমেছে। জখমের সংখ্যা কমেছে ৩২ শতাংশ। কমছে দুর্ঘটনা।” কলকাতাতেও গত তিন বছরে উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা।এর পাশাপাশি সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ কর্মসূচিকে আরো ছড়িয়ে দিতে তৃতীয় বর্ষপূর্তিতে আজ হরিশ মুখার্জি রোডে শতাধিক বাইক নিয়ে কলকাতা পুলিশের সচেতনতা-যাত্রার উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।উপস্থিত ছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা।

সোমবার সকালে আচমকাই মুখ্যমন্ত্রী পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে যান জখম কনস্টেবেলকে দেখতে। ওই কনস্টেবল বেপরোয়া বাইক ধরতে গিয়ে দিনকয়েক আগের রাতে গুরুতর জখম হন। তাঁকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “এখানে আমি গিয়েছিলাম আমাদের এক ভাইকে দেখতে। একটা বেপরোয়া বাইক ধরতে গিয়ে গুরুতর জখম হয়েছেন উনি। ওই কনস্টেবলের জন্য ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের কথা বলেছি। পুলিশ খুব ভাল কাজ করছে সব জায়গায়। রোজ রাতে নাকা চেকিং চলছে। নেশার জিনিসও উদ্ধার হচ্ছে। এই চেকিং চলবে।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।