দেশ প্রথম পাতা বিনোদন

অসহিষ্ণুতা নিয়ে মোদীকে খোলা চিঠি, অপর্ণা সেন-সৌমিত্র সহ ৭ বুদ্ধিজীবীর বিরুদ্ধে বিহারের আদালতে মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি :  দেশের ভিতরে ক্রমাগত ঘটে চলা গণপ্রহারে মৃত্যু, আক্রমণের স্লোগান হিসেবে ‘জয় শ্রীরাম’–এর ব্যবহার সহ একাধিক ‘দুঃখজনক ঘটনা’তে উদ্বিগ্ন দেশের ৪৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি বুধবার খোলা চিঠি পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্দেশে। এ বার সেই চিঠির পাল্টা হিসেবে অপর্ণা সেন, কঙ্কনা সেনশর্মা, রেবতী-সহ ৯ বুদ্ধিজীবীর বিরুদ্ধে মামলা করলেন বিহারের এক আইনজীবী।

দেশে গণপিটুনি সহ অসহিষ্ণুতা বাড়ছে বলে মনে করেন দেশের বহু লেখক, শিল্পী। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লেখেন দেশের ৪৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি। বুধবার চিঠিতে ৪৯ জন বুদ্ধিজীবী লিখেছিলেন, ”প্রিয় প্রধানমন্ত্রী… মুসলিম, দলিত ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের গণপ্রহারে মৃত্যুর ঘটনাবলী এই মুহূর্তে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। এনসিআরবি (ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো)–র রিপোর্ট থেকে আমরা জানতে পেরেছি ২০১৬ সালে ৮৪০ জন দলিতের ওপর আক্রমণ নেমে এসেছে। এবং একই সঙ্গে হ্রাস পেয়েছে শাস্তির অনুপাত। ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ধর্মকে কেন্দ্র করে ঘৃণাবশত আক্রমণের ২৫৪টি ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে ৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহতের সংখ্যা ৫৭৯।”

প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লেখেন দেশের ৪৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাদের মধ্যে ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করলেন বিহারের মুজাফফরনগরের আইনজীবী সুধীর কে ঝা। মামলাটি গ্রহণ করেছে আদালত। এনিয়ে শুনানি হবে ৩ অগাস্ট। বুদ্ধিজীবীদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহ, ধর্মীর ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

কী অভিযোগ করেছেন সুধীর? সংবাদসংস্থাকে তিনি বলেন, দেশের অসহিষ্ণুতা, অখণ্ডতা ক্ষুণ্ণ করা-সহ একাধিক অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা করেছেন ওই আইনজীবী। এছাড়াও তিনি বলেছেন, দেশকে ভাগ করতে চাইছেন এরা। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।পাশাপাশি তিনি এই মামলায় সাক্ষী হিসেবে কঙ্গনা রানাউত, মধুর ভাণ্ডারকর, বিবেক অগ্নিহোত্রীদের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার শুনানি হবে আগামী ৩ আগস্ট।

 

Spread the love