দেশ প্রথম পাতা

বাংলার হাওয়া বইছে দিল্লিতে, বাজার থেকে ধার করে দফতর চালানোর ভাবনা নির্মলা সীতারামনের অর্থ মন্ত্রককে

নিজস্ব সংবাদদাতা: দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের কড়া দাওয়াই দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি সাফ জানিয়েছেন, তিনি কোনভাবেই অন্যায় বরদাস্ত করবেন না। সে দলের লোকই হোক না কেন। মোদী মন্ত্রিসভায় এবারে প্রথক থেকেই সেরা চমক ছিল নির্মলা সীতারমণের হাতে অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব। লোকসভায় বাজেট পেশ করেছেন নির্মলা। তবে এবার খানিক বেসুরেই তিনি বোঝালেন সরকারের অসহায়তার নির্দেশন।সরকারি কাজ চালাতে ১০০ টাকা ধার করলে তার ৯৩ টাকাই যাচ্ছে পুরনো ধারের সুদ মেটাতে! রোজকার খরচ চালানোর জন্য নগদেও টান পড়তে শুরু করেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের থেকে ধার করে সংসার চালাতে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়। তাই দৈনন্দিন খরচের জন্য বাজার থেকে ধার করার কথা ভাবতে হচ্ছে নির্মলা সীতারামনের অর্থ মন্ত্রককে।

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বামফ্রন্ট সরকারের রেখে যাওয়া ঋণের বোঝা নিয়ে অনুযোগ করছেন। অভিযোগ তুলছেন, আয়ের সব টাকা যদি পুরনো ধারের সুদ মেটাতে যায়, তবে উন্নয়ন কী দিয়ে হবে? ততখানি খারাপ না-হলেও, মোদী সরকারের অবস্থাও যে সুবিধার নয় তা কার্যত পরিষ্কার দেশের অর্থমন্ত্রীর গলায়।অর্থ মন্ত্রকের এক আধিকারিকের দাবি, ‘‘ভোটের বছরে বেশি খরচাপাতি থাকায় কম নগদ নিয়েই কাজ শুরু হয়েছে।’’ সাধারণত বছরের শুরুতে হাতে ১.৫ লক্ষ কোটি থাকে। এ বার ছিল ১.২ লক্ষ কোটি।চলতি অর্থবর্ষে কেন্দ্রের রাজকোষ ঘাটতি ৭.০৩ লক্ষ কোটি টাকা। যা মেটাতে বাজার থেকে ধার করতে হবে। কিন্তু পুরনো ধারের সুদেই লাগবে ৬.৬০ লক্ষ কোটি। অর্থ মন্ত্রকের বক্তব্য, গত অর্থবর্ষেও প্রাথমিক অনুমানের তুলনায় প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বেশি খরচের প্রধান কারণ ছিল ওই সুদই।

 

Spread the love