কলকাতা জেলা প্রথম পাতা

অন্তঃসত্ত্বাকে দেখতে হাসপাতালে নুসরত, বেহাল রাস্তা তৈরির আশ্বাস মিমির

নিজস্ব প্রতিনিধি : দিল্লি থেকে ফিরেই বাংলার দুই নায়িকা-সাংসদ কাজে নেমে পড়লেন। ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় যোগ দিতে ভাঙড়ে এসেছিলেন মিমি চক্রবর্তী। মঞ্চের লাগোয়া বেহাল রাস্তা দেখে দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দেন। একই দিনে সন্দেশখালির ন্যাজাটে আক্রান্ত অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন বসিরহাটের সাংসদ নুসরত জাহান। মঙ্গলবার দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত  গৃহবধূকে দেখতে চিত্তরঞ্জন হাসাতালে যান নুসরত। তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজ নেন।

প্রসঙ্গত, শনিবার জমিতে বেড়া দিয়ে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। এরপরই তা গড়ায় রাজনৈতিক হাতাহাতিতে। অভিযোগ, তৃণমূল কর্মী গোপাল মণ্ডলকে মারধর কেরন বিজেপি নেতা নারায়ণ পাইক ও তাঁর দলবল। স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন ইলা মণ্ডল। তাঁকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। গোপাল ও তাঁর স্ত্রী ইলা মণ্ডল তৃণমূল কর্মী হিসাবে পরিচিত। অভিযোগ, দু’পক্ষের ধাক্কাধাক্কির মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা ইলাকে ঠেলে ফেলে দেওয়া হয়। শনিবারের পর রবিবার ফের শুরু হয় ঝামেলা। সকালে ইলা মণ্ডল ও তাঁর শাশুড়ি বেড়া ঠিক করতে গেলে শুরু হয় গন্ডগেল। পরের দিন আরও একবার বাঁধে ঝামেলা। গৃহবধঘূর পেটে লাথি মারার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। তাঁকে প্রথমে মিনাখাঁ গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার চিত্তরঞ্জন হাসপাতালে। সেখানেই এ দিন গিয়ে ইলার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে আসেন সাংসদ নুসরত জাহান। কথা বলেন চিকিৎসকদের সঙ্গেও।  

অন্যদিকে, ভাঙড় থেকেই সবচেয়ে বেশি লিড পেয়ে যাদবপুরের সাংসদ হয়েছেন মিমি চক্রবর্তী। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি ভাঙড়ের কাঁঠালিয়াতে তৃণমূলের এক সভায় আসেন। মূলত ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি ও মিমিকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য এই সভার আয়োজন করা হয়। মঞ্চে বসেই মিমির চোখে পড়ে সামনের পিচ রাস্তা ভেঙে খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। জায়গায় জায়গায় জল জমে কার্যত পুকুরের চেহারা নিয়েছে। মঞ্চে বসেই মিমি স্থানীয় নেতাদের কাছে খবর নেন রাস্তার বেহাল দশা সম্পর্কে। নবনির্বাচিত সাংসদ রাস্তা নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দেন। সভায় মিমি ছাড়াও ভাঙড়ের নেতাদের মধ্যে আরাবুল ইসলাম, ওহিদুল ইসলাম, নান্নু হোসেন, মোদাসের হোসেনরা উপস্থিত ছিলেন। 

মিমি বলেন, ‘অনেকেই মনে করেছিলেন আমি সাংসদ হলে এলাকায় আসব না। সেটা ভুল। আমাকে ডাকলেই আসব, এলাকার উন্নয়নে কাজ করব।’ মিমি আরও বলেন, ‘সাংসদ হিসেবে আমার প্রথম কাজ হবে সোনারপুরের বিদ্যাধরপুর স্টেশনে একটা রেল ওভারব্রিজ বানানো। প্রচারে গিয়ে ওখানে রেললাইনে আমার গাড়ি আটকে গিয়েছিল, ট্রেন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।’ 

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।