দেশ প্রথম পাতা লগডাউন

লকডাউনে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিক, পর্যটক, পডু়য়াদের ঘরে ফেরায় ছাড়পত্র কেন্দ্রের ।

লকডাউন ঘোষণার পর বহু পরিযায়ী শ্রমিক, পড়ুয়া বিভিন্ন রাজ্যে আটকে পড়েছেন। অনেকে আবার বেড়াতে গিয়ে বা চিকিৎসা করাতে গিয়েও অন্য রাজ্যে বিপাকে পড়েছেন। লকডাউন শেষ হচ্ছে আগামী ৩ মে। তার আগেই এই আটকে পড়াদের ঘরে ফেরায় ছাড়পত্র দিল কেন্দ্র। বুধবার কেন্দ্রের তরফে এক নতুন নির্দেশিকায় এ কথা জানানো হয়েছে। তবে করোনার উপসর্গ বা আক্রান্ত হলে কোনও ভাবেই ঘরে ফেরা যাবে না বলেও পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে পরিযায়ী শ্রমিকরা নিজের রাজ্যে ফিরতে পারবেন। পাশাপাশি পড়াশোনা করতে বা বেড়াতে গিয়ে আটকে পড়া পর্যটকদেরও নিজের রাজ্যে ফেরার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে এই নির্দেশিকায়। তবে যাঁদের করোনাভাইরাসে সংক্রমণের কোনও লক্ষণ বা উপসর্গ নেই, তাঁরাই শুধুমাত্র ফিরতে পারবেন।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যাঁরা নিজের রাজ্যে ফিরতে চান, তাঁদের স্ক্রিনিং করা হবে। যাঁদের কোনও উপসর্গ নেই, শুধুমাত্র তাঁদেরই অনুমতি দেওয়া হবে। এজন্য রাজ্য সরকারগুলিকে নোডাল অফিসার নিয়োগ করে নিয়মকানুন ঠিক করার কথাও জানানো হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।
প্রসঙ্গত, সংক্রমণ নেই এমন শ্রমিকরা যাতে বাড়ি ফিরতে পারে সেই বিষয়ে একাধিক পিটিশনের শুনানিতে কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।
ইতিমধ্যে হরিয়ানায় আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যের ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। তাই 12 হাজার শ্রমিককে নিজের রাজ্যে ফিরিয়েছে উত্তরপ্রদেশ।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী রাজ্যগুলিকে এর জন্য আগে পরিযায়ী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। তাতে ক্লিনচিট পেলে তবেই সেখান থেকে যাওয়ার অনুমতি পাবেন শ্রমিকরা।
এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে শ্রমিকদের প্রবেশ নিষেধ থাকলেও, বিশেষ বাসগুলিকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। বাসেও মেনে চলতে হবে সামাজিক দূরত্ব বিধি। তাছাড়া শ্রমিকদের বাসে ওঠানোর আগে বাসগুলিকে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
বাড়ি পৌঁছানোর পর বাধ্যতামূলকভাবে দুই সপ্তাহ হোম কোয়ারেন্টাইনে কড়া নজরদারিতে থাকতে হবে।
যে রাজ্যগুলিতে করোনা পরিস্থিতি বেশি সংকটজনক সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের প্রশাসন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

Spread the love