আন্তর্জাতিক প্রথম পাতা

বহুতলে ভয়াবহ আগুন! যুদ্ধকালীন তৎপরতার মধ্যেও বিদেশি পর্যটক সহ মৃত্যু হল ১৯ জনের,আহত প্রায় ৩০

নিজস্ব সংবাদদাতা: বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার বনানীর এফআর টাওয়ারের আট ও নয়তলায় আগুন লাগে। এতে ওই ভবনে আটকা পড়েন বহু মানুষ।রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারের ছাদে আটকে পড়াদের উদ্ধারে হেলিকপ্টার অভিযান শুরু করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করতে পেরেছে যৌথ বাহিনী। নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার প্রথমে এফআরের পাশের ভবন আওয়াল টাওয়ারে গিয়ে অবতরণ করে। পরে সেখান থেকে ওই ভবনের ছাদ থেকে কয়েকজনকে তাদের উদ্ধার করতে সক্ষম হযেছে।ভয়াবহ এ আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে ইতোমধ্যেই যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর কয়েকটি ইউনিট।এফআর টাওয়ারের আগুন পাশের একটি ভবনেও ছড়িয়ে পড়েছে। একইসঙ্গে আগুনের তীব্র ধোঁয়া আশপাশে ছড়িয়ে পড়েছে। ধোঁয়া থেকেও এখন বড় ধরনের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।

বহুতলে ভয়াবহ ওই অগ্নিকান্ডে মৃত্যু হয়েছে অন্তত উনিশ জনের। মৃতদের মধ্যে এক জন শ্রীলঙ্কার নাগরিকও রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আরও ৩০ জন। অগ্নিকাণ্ড থেকে বাঁচতে অনেকে পাইপ বেয়ে নীচে নেমে আসার চেষ্টা করেন। বেশ কয়েকজন ঝাঁপ দেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ। বনানী এলাকার এফ আর টাওয়ার নামে ওই বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা নাগাদ আগুন লাগে। খবর পেয়ে প্রথমে দমকলের ২১টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনী নামানো হয়। বিকেলের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিক ভাবে দমকলের অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে এই বিপত্তি।বিকেল ৫টা নাগাদ বনানী থানার ওসি ফরমান আলি সাংবাদিকদের জানান, অগ্নিকাণ্ডে অন্তত উনিশ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে এক জন শ্রীলঙ্কার নাগরিক। এ ছাড়া অগ্নিদগ্ধ হয়ে এবং উপর থেকে ঝাঁপ দিয়ে বা পাইপ বেয়ে নামতে গিয়ে মোট ৩০ জন আহত হয়েছেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে তাঁদের চিকিৎসা চলছে।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।