দেশ প্রথম পাতা

প্রভু শ্রীঘরে! সুলতানকে কে দেখবে? শেষে পুলিশ অফিসাররা সারমেয়কে থানায় নিয়ে গিয়ে খাওয়ালেন পেট ভরে খাওয়ালেন বিস্কুট-পাউরুটি

নিজস্ব সংবাদদাতা: সম্পত্তির লোভে এক আত্মীয়কে সপরিবার খুন করেছে বাবা ও দুই ছেলে। তাদের সঙ্গে জড়িত পরিবারের আরও চার সদস্য। অপরাধ প্রমাণও হয়েছে। কারাবাসের সাজাও দিয়েছেন বিচারক। কিন্তু শাস্তি চালু করতে গিয়ে সমস্যা হয়েছে পোষ্য কুকুরটিকে নিয়ে। তাকে তো আর জেলে পাঠানো যাবে না!  কিন্তু প্রিয় পোষ্য ‘সুলতান’-কে দেখবে কে? প্রভু-বিনা খেতে দেবেই বা কে? তাই পোষ্যর দায়িত্ব নিয়েছেন বিনা থানার পুলিশকর্মীরা।সূত্রের খবর, খুনের তদন্তের স্বার্থে থানার শ্রীঘরে আপাতত ঠিকানা মনোহর আহিরওয়াল ও তাঁর দুই ছেলের। কিছুদিন আগে ব্যক্তিগত সম্পত্তির বিবাদ দিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত। তার পর থেকেই দুই পরিবারের মুখ দেখাদেখি বন্ধ। কিন্তু তার মধ্যেই ঘটল অঘটনটা। একই পরিবারের এক শিশু-সহ পাঁচ সদস্যকে খুনের অভিযোগ উঠেছে আহিরওয়াল পরিবারের বিরুদ্ধে। কিন্তু তার পর থেকে সিঁদুরে মেঘ দেখছে সুলতান। প্রভু বাড়ি না থাকলে নাওয়া-খাওয়া তো শিকেয় উঠবে। আর হয়েওছিল তাই। জলের পাত্রে না আছে জল। খাবার তো দূরে থাক। দিনদিন শুকোচ্ছিল লেব্রডর সারমেয়। তার পর থাকতে না পেরে এগিয়ে এসেছে বিনা থানা কর্তৃপক্ষ।প্রভু জেলে যাওয়াতেই তাই বাধ্য হয়ে থানাতেই নিয়ে যাওয়া হয় সারমেয়টিকে। খাওয়ানো হয় রুটি, দুধ, পাঁউরুটি। সে-ও দিব্যি লেজ নেড়ে কৃতজ্ঞতা জানায় সকলকে। সেই থেকেই কনস্টেবল হোক বা অফিসার, সবার আদরে পুলিশ স্টেশনে দিব্যি আছে সুলতান। পালা করে পুলিশকর্মীরাই সুলতানকে স্নান করানো, খাওয়ানো, বিকেলে বেড়াতে নিয়ে যাওয়া– সবই করেন।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।