জেলা প্রথম পাতা

ভোট আসার অনেক আগেই জঙ্গলমহলের দখল নিতে চাইছে পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনী, শুরু রুট মার্চ

নিজস্ব প্রতিনিধি: নাশকতা ঠেকাতে এবং এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে রুট মার্চ শুরু করেছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঝাড়্গ্রাম জেলার যে সমস্ত এলাকা গুলি এক সময় মাও অধ্যুষিত বলে বিশেষ পরিচিতি ছিল সেই সমস্ত এলাকা গুলিতে যৌথ ভাবে এই অপারেশন শুরু করেছে। লোকসভা নির্বাচনের সময় যাতে কোনভাবে বহিরাগত কোন শক্তি এলাকায় অশান্তি তৈরি করতে না পারে তার জন্য চলচ্ছে এই রুট মার্চ বলে জানা গিয়েছে। ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে এটি রুটিন টহল এবং রুট মার্চ। যা কিনা নিয়ম মেনেই করা হয়। বেলপাহাড়িতেও চলচ্ছে রুট মার্চ।উল্লেখ্য সম্প্রতি বেলপাহাড়িতে এক মাসের মধ্যে তালপুকুড়িয়া গ্রামের কাছে হাতে তৈরি বোমা উদ্ধার হয়েছিল।আবার দোলের আগের দিন সরিশাবাসা গ্রাম সংলগ্ন বাঁশকাটিয়াতে দুটি মাওবাদীদের নামে দেওয়া পোস্টার উদ্ধার করেছিল পুলিশ।দুটি ঘটনাতে কারা জড়িত তা জানা যায় নি বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে পুলিশ একদিকে নিশ্চিত হয়েছে পোস্টার সাঁটানোর ঘটনায় স্থানীয় কেউ জড়িত রয়েছে।আর যে সব দেশী হাত বোম উদ্ধার হয়েছিল তাও স্থানীয় কারো কাজ বলে মনে করছে পুলিশ।তবে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।জানা গিয়েছে এই দুটি ঘটনাতেই বাইরে কারো হাত নেই বলে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে।ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন)কুমার ভূষন বলেন “ রুট মার্চ এবং এলাকা ডমিশন রুটিন ব্যাপার।পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে এটা করে।পোস্টার এবং দেশি হাত বোমা উদ্ধার ঘটনায় বাইরের কেউ যুক্ত নয় এখনো পর্যন্ত জানা গিয়েছে।স্থানীয় কেই যুক্ত রয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।” তবে বেলপাহাড়ির মতো এলাকায় পোস্টার এবং বোমা উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল।এক সময়ে মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটি ছিল বেসপাহাড়ি।অন্যদিকে পুলিশ কোন রকম ঝুঁকি না নিয়ে সব দিকে খতিয়ে তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।