দক্ষিণবঙ্গ প্রথম পাতা লগডাউন

করোনা নিয়ে কেন্দ্র রাজনীতি করুক, কাজের কাজ মুখ্যমন্ত্রী করছে জানালেন রাজীব ।

তমলুকঃ রাজ্য তথা গোটা দেশ জুড়ে লকডাউন জারি হওয়ায় ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে আটকে পড়েছেন বহু পরিযায়ী শ্রমিক। এমন পরিস্থিতিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের যে যার নিজের রাজ্যে ফিরিয়ে আনা নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের তরজা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। আর তা নিয়ে এবার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি রাজনীতি করার অভিযোগ করলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামতারকে এক ত্রান বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একেবারে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে রাজনীতি করার অভিযোগ তুললেন তিনি। এদিন রাজীববাবু বলেন, “আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনি একজন মানবিক মুখ। তিনি সকলকে আশ্বস্ত করছেন বাংলার যে সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিক আটকে রয়েছেন তাদেরকে যেকোনো মূল্যে তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে দেবেন। তাই কেন্দ্র রাজনীতি করুক, ওরা হয়তো রাজনীতি করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার চেষ্টা করবে কিন্তু কাজের কাজটা মুখ্যমন্ত্রীর করছেন। ইতিমধ্যে রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক ঘরে ফেরা শুরু হয়ে গিয়েছে।”

গোটা দেশে লকডাউন পরিস্থিতিতে দিন আনা দিন খাওয়া সাধারণ মানুষের একেবারে অসহায় অবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এবার রাজ্যের ব্রাহ্মণ ও ইমামদের পাশে এসে দাঁড়ালো পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্ট। শুক্রবারেই ব্রাহ্মণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রায় ১০০জন ব্রাহ্মণ ও ইমামের হাতের ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। সমস্ত সরকারি নির্দেশিকা মেনে মুখে মাস্ক বেঁধে এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে এদিন ত্রাণ বিতরণ করা হয়। আর সেখানেই কেন্দ্র সরকারকে একাধিক ভাষায় বিঁধলেন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজীববাবু বলেন, “একটা জিনিস পরিষ্কার পরিযায়ী শ্রমিক থেকে বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাকে  আঘাত করা এবং রাজনৈতিক অভিসন্ধি নিয়ে যা যা করা দরকার তা তা করতে হবে এটাই কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা। আমরা কেন্দ্রের কাছে যখন চিকিৎসার সরঞ্জাম চাই তখন আমরা তা পাই না। যখন চিকিৎসার জন্য কিট চেয়ে পাঠাই তখন ভুল কিট দেওয়া হয়। কারণ যাতে বাংলা আহত হয় এবং চিকিৎসা না করাতে পারে।” এদিন রাজীবাবু আরও বলেন, “পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য কেন্দ্রের ওই চিঠি পাওয়ার আগে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রথম দুটো ট্রেন ঢুকেছে, পরে আরও আটটা ট্রেন এবং পরে আরও একশোটি ট্রেন ঢুকবে। পশ্চিমবঙ্গবাসী কে আমরা আশ্বস্ত করতে চাই কেন্দ্রীয় সরকার করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছে না, এখানে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মা-মাটি-মানুষের সরকারের বিরুদ্ধে লড়ছে।”
Spread the love