জেলা প্রথম পাতা

‘কাটমানি’ কাঠগড়ায় এবার বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু! বসিরহাট জুড়ে পড়লো পোস্টার, অস্বস্তির মধ্যেই ড্যামেজ কন্ট্রোলে গেরুয়া শিবির

নিজস্ব প্রতিনিধি: কাটমানি। এই শব্দতেই এখন সরগরম বাংলার রাজনীতি। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় সভায় জানিয়েছিলেন কোন দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না, যদি কেউ কাটমানি নিয়ে থাকেন তাহলে তা ফেরত দিয়ে দিন। তারপর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কাটমানি বিক্ষোভের আঁচ পড়তে শুরু করেছে। এবার সেই কাটমানি আঁচ পড়ল খোদ বিজেপির অন্দরেই। নির্বাচনী খরচের জন্য দলের দেওয়া অর্থের একটা বড় অংশ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু সহ বিজেপির বেশ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। এই মর্মে বসিরহাটের দেওয়ালে দেওয়ালে দেওয়া পোস্টার ঘিরে এখন সরগরম গোটা তল্লাট। পোস্টারের নীচে বিজেপির কর্মীবৃন্দ বলে উল্লেখ থাকায় অস্বস্তিতে পড়েছে দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বও। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু।এ রাজ্যে গেরুয়া শিবিরের প্রথমসারির নেতা সায়ন্তন।

গত লোকসভা ভোটে বসিরহাটে প্রার্থীও হয়েছিলেন তিনি।  ভোটের সময় প্রচার-সহ অন্যন্য খাতে খরচ করার জন্য দলের কাছ থেকে টাকা পান প্রার্থীরা। বসিরহাটের বিজেপি কর্মীদের একাংশের দাবি, সায়ন্তন বসু নিজেই জানিয়েছিলেন, লোকসভা ভোটের জন্য ২ কোটির বেশি টাকা পেয়েছেন। কিন্তু দলের বুথ কর্মীদের কোনও টাকা দেওয়া হয়নি। সায়ন্তন বসু-সহ বিজেপি নেতারা সেই টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তবে দলের টাকা নেওয়ার এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা বলে দাবি করেন বিজেপি জেলা সভাপতি গণেশ ঘোষ। তিনি  বলেন, “এ সমস্তই তৃণমূলের চক্রান্ত। কাটমানি কে দিয়েছে? কাকে দিয়েছে?” যদিও অনেকেই বলছেন এটা বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের ফল। পাল্টা বিজেপি মনে করছে এর পিছনে তৃণমূলের চক্রান্ত রয়েছে।গোষ্ঠীকোন্দলের কথা অবশ্য স্বীকার করেননি সায়ন্তন বসু। তিনি বলেন, “কোনও পোস্টার পড়ে থাকলে তা তৃণমূলের কাজ। কাটমানি নিয়ে নিয়ে দলটার যা হাল হয়েছে তাতে এ সব করা ওদেরই শোভা পায়। ভোটের আগেও পোস্টার মারা হয়েছিল। কারা মেরেছিল তার হদিস এখন পাওয়া যায়নি।”

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।