জেলা প্রথম পাতা রাজ্যের খবর

বিজেপিতে গুটখার গন্ধে ওরা অতিষ্ট! মুকুল-শুভ্রাংশুকে ধাক্কা দিয়ে ফের হালিশহর পুরসভা ছিনিয়ে নিল তৃণমূল

নিজস্ব প্রতিনিধি: বড়সড় ধাক্কা খেল বাবা-ছেলে৷ হালিশহর পুরসভা তৃণমূলের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েও তা ধরে রাখতে পারলেন না মুকুল রায় -শুভ্রাংশু রায়রা৷ লোকসভা ভোটে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে অর্জুনের সিংয়ের দাপটে কার্যত কোনঠাসা হয়ে পরেছিল শাসকদল তৃণমূল। এমনকি ব্যারাকপুর লোকসভা আসনেও তৃণমূলকে হারিয়ে সাংসদ হন অর্জুন সিংই।তারপর থেকেই শাসকদল তৃণমূল ভাঙাতে আসরে নেমে পড়েন মুকুল-অর্জুনরা।সেইমত মাস দুয়েক আগে, ১২ সদস্যের হালিশহর পুরসভায় ৮ জন কাউন্সিলর দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। বাকি চার জন তৃণমূলেই ছিলেন। কিন্তু মঙ্গলবার তৃণমূলের ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া আট কাউন্সিলর ফের তৃণমূলে ফিরে এলেন৷ ফলে হাতছাড়া হওয়া হালিশহর পুরসভা ফের তৃণমূলের দখলে এল বলেই দাবি শাসকদলের।হালিশহরের আট তৃণমূল কাউন্সিলর বিধানসভায় গিয়ে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে দেখা করে ফের তৃণমূলে ফিরলেন। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, “সন্ত্রাস করে এঁদের যোগদান করানো হয়েছিল। বিজেপি-র গুটখার গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে এঁরা আবার ফিরলেন। এঁদের বুকের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ভালবাসা।”এ দিন বিধানসভায় ববি হাকিমের পাশে ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ, দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুও। ফিরহাদ এ দিন বলেন, “বিজেপি সন্ত্রাস করে ওঁদের নিয়ে গিয়েছিল। কারও  কারখানা বন্ধ করেছে, কারও মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছেলেকে খুনের হুমকি দিয়েছে। তখন এঁদের কাছে তৃণমূল-বিজেপি-র থেকে বেঁচে থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “মিস্টার রায় আর মিস্টার সিং দিল্লির নেতাদের কাছে স্কোর বাড়াচ্ছেন। তবে এরপর যদি সন্ত্রাস করে, তাহলে অর্জুন বাহিনী থাকবে জেলের ভিতরে।” তাঁর কথায়, “এঁরা বিজেপি-তে গিয়ে ছটফট করছিল। ওই গেরুয়া ফ্ল্যাগ, গুটখার গন্ধে অতিষ্ঠ হয়েই ফিরে এসেছেন।”

 

 

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।