প্রথম পাতা রাজ্যের খবর

সোনা চুরির ডাকাতকে ধরতে পুলিশকে সাহায্য বার গার্লসের

নিজস্ব প্রতিনিধি— গ্রাহক সেজে সোনার দোকানে ঢুকত পড়ে সেখান থেকে সোনা চুরি করে চম্পট দিত। এইভাবে বেঙ্গালুরু ও মাইসুরের বেশ কয়েকটি দোকানে ডাকাতি করেছে সে। কিন্তু শেষমেষ আর রক্ষে হল না ধরা পড়ে গেল পুলিশের পাতা ফাঁদে। তবে পুলিশ এই বাবাজিকে ধরতে সাহায্য নিয়ে ছিল বার গার্লসের একটি মেয়ের।  জানা গিয়েছে, বছর ৫৩ মহম্মদ সলমানের আসল বাড়ি ওড়িশার বালাসোরে হলেও সে মাঝেমধ্যেই বেঙ্গালুরু যেত। সেখানকার একটি দোকান থেকে সে ১০৮ গ্রামের সোনার বার ও নগদ ৩.৭৮ লাখ টাকা লুঠ করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিলাসী জীবনযাপনে অভ্যস্ত সলমান বেঙ্গালুরু গিয়ে গ্রাহক সেজে গয়নার দোকানে লুঠপাট চালাত। গত সপ্তাহে সে যায় মাইসুরুর আমিথ নামে এক ব্যক্তির সোনার দোকানে যায়। সে আমিথকে জানায় যে সে একটি সোনার বাট কিনতে চায়। আমিথের দোকানে সোনার বাট না-থাকায় সে সলমানকে নিয়ে যায় ওই রাস্তাতেই রাজেন্দ্র নামে এক মালিকের দোকানে নিয়ে যান। সেখান থেকে একটি সোনার বার ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় সলমান। মিশে যায় ভিড়ের মাঝে। পরে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সলমানের ফেলে যাওয়া ব্যাগ থেকে পায় বিস্কুটের প্যাকেট, সাবান। সলমানের প্রায় কয়েক হাজার ফোন ট্র্যাক করে পুলিশ তার বেঙ্গালুরুতে যাতায়াতের কথা জানতে পারে। দেখা যায়, এমন বহু মেয়ের সঙ্গে সলমান ফোনে কথা বলত যাঁরা পাবে কাজ করেন। বেঙ্গালুরুর প্রায় ১০০০ বার গার্লের নম্বর সলমানের ফোনে ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। এমনই একটি মেয়ের সাহায্য নিয়ে সলমানকে ফাঁদে ফেলে পুলিশ।

Spread the love