দেশ প্রথম পাতা লগডাউন

লকডাউন পরবর্তী ৪ মে থেকে দেশের রেলওয়ে স্টেশনগুলি হয়ে যাবে এক্কেবারে অন্যরকম।

করোনা পরিস্থিতির আর আবনতি না হলে লকডাউন উঠতে পারে 3 মে। সেক্ষেত্রে কিছু ক্ষেত্রে শুরু হতে পারে রেলযাত্রা। কিন্তু করোনা সংক্রমণকালে রেল পরিষেবা কীভাবে চালানো হবে, বা রেলযাত্রা স্বাভাবিক করতে কি ধরনের প্রোটোকল মানা হবে এ নিয়ে প্রশ্ন আছে। লাইন দিয়ে টিকিট কাটা বা ধাক্কাধাক্কি করে ট্রেন ধরা। সামাজিক দূরত্বের বিষয়টাই বা কিভাবে মেনে চলা সম্ভব? এসবই এখন মূল আলোচ্য।
তবে রেলসূত্রে জানা গিয়েছে, এখন থেকে এসব নৈব চ। হুড়োহুড়ি, গুঁতোগুঁতি, ধাক্কাধাক্কি, ‘আরে দাদা আপনার পায়ের নিচে আমারটা রয়েছে। একটু দেখে চলতে পারেন না? কানা নাকি?’ এসব আর নয়। আগের মতো আর রেলসফর চলবে না। লকডাউন পরবর্তী ৪ মে থেকে দেশের রেলওয়ে স্টেশনগুলি হয়ে যাবে এক্কেবারে অন্যরকম। স্টেশনে পা রাখার সময় থেকেই যাত্রীদের মানতে হবে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং নীতি। টিকিটও কাটতে হবে সে ভাবেই। এমনকী ট্রেনে উঠতে হবে ধীরে ধীরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই।
লকডাউন একবার উঠে গেলে ট্রেন ধরার জন্য যাত্রীদের স্টেশনে পৌঁছতে হবে কমপক্ষে ২-৩ ঘণ্টা আগে। টিকিট কাটতে হবে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনেই। প্রত্যেক যাত্রীকেই এক মিটার দূরত্ব অবলম্বন করতে হবে। ব্যাগ চেকিংয়ের পরই হবে থার্মাল স্ক্রিনিং। তবে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের আগেই স্যানিটাইজ করানো হবে যাত্রীদের। যাত্রীর শারীরিক অবস্থা খুঁটিনাটি সবই নথিভুক্ত করা হবে। তারপরই ট্রেনে উঠতে পারবেন কোনও যাত্রী।
সম্প্রতি জবলপুর রেলওয়ে স্টেশনে হয়ে গেল এর মহড়া। সেখানে রেল এবং জিআরপি কর্মীরা লকডাউন পরবর্তী রেলসফর কীরকম হবে তা হাতেনাতে করে দেখালেন।

Spread the love