জেলা দেশ প্রথম পাতা

বঙ্গের বাম-কংগ্রেস জোটের জট খুলতে মরিয়া দিল্লির নেতারা!ফোনে কথা হল রাহুল-ইয়েচুরির

নিজস্ব প্রতিনিধি: বঙ্গে লোকসভা নির্বাচনে লড়াইয়ে ৪২ কেন্দ্রে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিরোধী দলগুলিকে কার্যত প্রথমেই হারিয়ে দিয়েছে শাসকদল তৃণমূল।বিজেপির প্রার্থী তালিকা এখনও দিল্লির দরজায় আটকে। বাম-কংগ্রেস জোটের সমীকরণ কি হবে তা এখনও বৈঠকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। জোটের সমাধান সূত্র এখনও বেরোয় নি। ২৫টি কেন্দ্রের প্রার্থীতালিকা একতরফা ঘোষণা করে দিয়েছে বামফ্রন্ট। বাকি ১৭টি আসন ছাড়া হয়েছে কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনার জন্য। প্রথম থেকেই রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসনটি নিয়ে বেঁধেছিল বিবাদ। ইয়েচুরি ও রাহুলের কথার পর ওই দুটি আসন সিপিএমকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় প্রদেশ কংগ্রেস। কিন্তু বাম প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর অপমানের অভিযোগ তুলে জোট থেকে হাত তুলে নেয় প্রদেশ কংগ্রেস।

তবে বিধানভবন-আলিমুদ্দিনের অন্দরেই প্রশ্ন ওঠে তবে এবার কোন ফর্মুলায় লড়াই হবে বাংলায়? তবে রাজ্য নেতাদের হাল ছেড়ে দেওয়ার পরেও বাংলায় বাম-কংগ্রেস জোট বাঁচাতে উদ্যোগ নিলেন দুই শিবিরের শীর্ষ নেতারা। প্রদেশ নেতাদের আপত্তিতে ভেস্তে গিয়েছে বাংলায় বাম-কংগ্রেস জোট সম্ভাবনা। তবে তার পরেও সোমবার রাতেই ফোনে কথা হল সীতারাম ইয়েচুরি ও রাহুল গান্ধীর। আর তাতে সমাধানসূত্র মেলার সামান্য ইঙ্গিত মিলল। 

রাতে সীতারাম ইয়েচুরির সঙ্গে ফোনে কথা হয় রাহুল গান্ধী। সীতারাম অভিযোগ করেন, যুক্তিসঙ্গত আচরণ করছেন না প্রদেশ কংগ্রেস নেতারা। অনেক বেশি আসন দেওয়া হয়েছিল। বাইরের নেতাকে প্রার্থী করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। এমন আচরণে সাধারণ মানুষের কাছে দুপক্ষের গ্রহণযোগ্যতা কমল। ভুল বার্তা গেল। মঙ্গলবার সীতারাম ইয়েচুরি ও রাহুল গান্ধীর মধ্যে আরও একদফা ফোনালাপ হওয়ার কথা। সূত্রের খবর, প্রদেশ নেতাদের সঙ্গেও কথা বলবেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। রাজনৈতিক দলের মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজ্যে দুই দলের যা অবস্থা তাতে একা লড়াই করলে কারও ফায়দা হবে না।তাতে উল্টে সুবিধা হতে পারে তৃণমূল-বিজেপির। আর তা ভালোমতোই বুঝতে পারছেন কংগ্রেস-সিপিএমের শীর্ষনেতারা।তাই ফের একবার দিল্লিরস্তরে কথাবার্তা বলে বঙ্গের জোটের সম্ভবনা জাগিয়ে তুলতে চাইছেন রাহুল গান্ধী-সীতারাম ইয়েচুরিরা।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।