প্রথম পাতা রাজনৈতিক লগডাউন

সব কটি বিধানসভা তৃণমূলের দখলে চান কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী।

দীর্ঘদিন ধরে লকডাউন পালন করার পর অবশেষে আনলকের মুখ দেখেছে দেশবাসী। আর এই আনলকের প্রথম পর্যায় শুরু হতে না হতেই আগামী ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল। পিছিয়ে নেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও। এই নিয়েই সম্প্রতি আসানসােলের কাছে পান্ডবেশ্বর বিধানসভার পঞ্চায়েত এলাকার নেতা ও কর্মীদের সঙ্গে হরিপুরের বিধায়ক কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম উপদেষ্টা তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃনমূল কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক কর্ণেল দীপ্তাংশু চৌধুরী ও জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি।

জানা গেছে, মূলত জেলা তৃণমূল কংগ্রেস এবং পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার সাংগঠনিক শক্তি আরও কিভাবে মজবুত করা যায় তা নিয়েই দীর্ঘক্ষন আলোচনা হয় এই বৈঠকে। স্বাভাবিকভাবেই এই বৈঠকে উঠে আসে একাধিক বিষয়। পাশাপাশি কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী শোনেন এই অঞ্চলের সমস্ত কর্মীবৃন্দ দের অভাব-অভিযোগের কথাও। বৈঠক শেষে তিনি জানান, যে করেই হোক ২০২১ এর নির্বাচনে পশ্চিম বর্ধমানের সব কটি বিধানসভা তৃণমূলের দখলে আনতে হবে। এটাই এখন প্রধান লক্ষ্য। যেহেতু জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে এই জেলায় পর্যবেক্ষক করে পাঠিয়েছেন সেহেতু আমার কাছে এই জেলার প্রতিটি বিধানসভাই সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই সাধারণ মানুষের সমর্থন নিয়ে এই অঞ্চলের সমস্ত বিধানসভায় জয় লাভ করা প্রধান চ্যালেঞ্জ এবং কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরও জানান, আপাতত দলের সমস্ত নেতা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে এবং তাদের সমস্ত অভাব-অভিযোগের কথা জানতে এখানে এসেছি। এছাড়াও তাঁরা এই সংকটময় পরিস্থিতিতে কিভাবে নিজেদের স্বাস্থ্যের খেয়াল রেখে দলের কাজকর্মকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তাও খোঁজখবর নিয়েছি। এছাড়া পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারির নেতৃত্বে দলের কর্মী সমর্থকরা লকডাউনের মধ্যেও বিধানসভার পাশাপাশি জেলার সাধারণ মানুষের সেবায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। যা স্বাভাবিকভাবেই প্রশংসার দাবী রাখে। পাশাপাশি তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য বার্তা দেন, এই সংকটময় পরিস্থিতিতে তারা যেভাবে মানুষের কথা চিন্তা করে প্রতিনিয়ত কাজ করে গেছেন আগামী দিনেও সেই একইভাবে মানুষের সেবায় নিয়োজিত হতে হবে। তবে অবশ্যই সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে।

Spread the love