জেলা প্রথম পাতা

বির্তক ভুলে বাবুলের গান দিলীপের গলায়!কর্মী-সর্মথকদের সাথে মঞ্চে কোমর দোলালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঝাড়গ্রাম,মেদিনীপুর,ঘাটাল,কাঁথি, চার লোকসভার মহিলা কর্মীদের সন্মেলনে মাঠ উপচানো ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সেই মঞ্চের প্রধান বক্তা ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মহিলা কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা চোখ দেখিয়েছে,অত্যাচার করেছে,ভয় দেখিয়েছে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট দিতে দেয় নি,বাড়ি থেকে বেরোতে দেয় নি তাদের বলুন শুধরে যেতে।না হলে সুবিধা হবে না। এতদিন অনেক দাদাগিরি দেখেছি এবার আমাদের দাদাগিরি দেখ।ভদ্র হয়ে যাও নাহলে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেব না।সিআরপিএফের বিরুদ্ধে মন্তব্য করে বির্তকে জড়িয়ে পড়েছিলেন জেলা তৃণমূল সভাপতি অজিত মাইতি। সেই প্রসঙ্গ টেনে দিলীপবাবুর কটাক্ষ হাত মুছড়ে দিলে তিনি ঘাড় মুছড়ে দেবেন।যদিও অজিতবাবু পাল্টা বলেন,যিনি ঘাঁড় সোজা করে গত বিধানসভায় দাঁড়িয়ে খড়গপুর নিয়ে একটা শব্দও বলেন নি তাঁর ঘাড়,মেরুদন্ড কোনটাই নেই। থাকলে তৃণমূলের বদনামি নেতাদের ডেকে ডেকে প্রার্থী করতেন না।উনি একজন ভুঁইফোঁড় নেতা। কত ধানে কত চাল আগামী ২৩শে মে উনি টের পারেন।

মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে দিলীপবাবু বলেন, ২০১১ সালে রাজ্যের মানুষ পরিবর্তন চেয়ে দিদিকে ভোট দিয়েছিল।আগে রাতের বেলায় মেয়েরা বাইরে বেরোতে ভয় পেত। এখন দিনের বেলাতেও ভয় পেত।দিলীপবাবু বলেন, দিদির ভোটে দাঁড়ানোর সাহস নেই। ভাইপো চাইছে দিদি দিল্লি গেল সে নবান্নে গিয়ে বসবেন।কিন্তি দিদি বুঝেছেন তিনি দিল্লি গেলেও প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না।অন্যদিকে রাজ্যও হাতছাড়া হয়ে যাবে। এরপরেই দিলীপরে চ্যালেঞ্জ ২০১৪ সালে তৃণমূল ৩৪টি আসনে জিতেছিল এবারে অর্ধেক আসনেও জিততে পারবে না।তিনি আরো বলেন, গতবারে রাজ্যে ২টি আসন জিতেও কেন্দ্রে বিজেপি সরকার গড়েছিল।এবারে আরো মজবুত সরকার চাই।এদিন দিলীপবাবু জানিয়ে দেন আগামী ৩রা এপ্রিল মোদীর সভার জন্য মহিলা কর্মীদের নির্দেশ যেন প্রতি বুথ থেকে অন্তত ২০জনকে যেতে হবে। যার অর্ধেক হবেন মহিলা।বক্তব্য শেষে দিলীপবাবু ঝাড়গ্রাম থেকে আসা প্রায় ১৫০ সংখ্যালঘু মহিলার হাতে বিজেপির দলিয় পতাকা তুলে দেন।এরপরেই মাইকে বেজে ওঠে ফুটবে এবার পদ্মফুল বাংলা ছাড়ো তৃণমূলের সুর। মাইক্রোফোন নিজের হাতে টেনে নিয়ে গাইতে শুরু করেন দিলীপ।দুলতে থাকে কোমর।মঞ্চের সেই দুলুনি মুহুর্তে সংক্রামিত হয় সামনে বসে থাকা মহিলা কর্মীদের মধ্যে। গানের  বির্তক ভুলে সুরের উচ্ছাসে ভেসে যায় মাতকাতপুরের মাঠ।  

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।