জেলা প্রথম পাতা

অর্জুন-মুকুলের গড়ে ফের মাথা তুলছে তৃণমূল! হালিশহরের পর কাঁচড়াপাড়া পুরসভারও দখল নিতে চলেছে শাসক শিবির

নিজস্ব প্রতিনিধি: হালিশহরের পর এবার কাঁচড়াপাড়া৷ আরও এক পুরসভা পুনর্দখলের পথে তৃণমূল৷ সূত্রের খবর, আবার শাসকদলে ফিরতে চলেছেন বিজেপিতে যোগ দেওয়া এই পুরসভার ৯ জন কাউন্সিলর৷ যাঁদের মধ্যে রয়েছেন চেয়ারম্যান সুদামা রায়৷ ফলে ২৮ আসন বিশিষ্ট কাঁচড়াপাড়া পুরসভায় তৃণমূলের কাউন্সিলর সংখ্যা হবে ১৮৷ এবং বিজেপির হাতে চলে যাওয়া পুরসভা, পুনরায় ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হবে শাসকদল৷লোকসভা নির্বাচনের শাসকদলের শোচনীয় ফলাফলের পর একের পর এক পুরসভা হাতছাড়া হতে থাকে শাসকদলের৷ বিশেষ করে বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে অর্জুন সিংয়ের জয় তৃণমূলকে বেকায়দায় ফেলে দেয়৷

বারাকপুর লাগোয়া একাধিক পুরসভায় ব্যাকফুটে চলে যায় তৃণমূল৷ তৃণমূলের হাতে থাকা ভাটপাড়া, হালিশহর, কাঁচড়াপাড়া ও গাড়ুলিয়া-সহ একাধিক পুরসভায় ভাঙন ধরায় বিজেপি।নির্বাচনের পর বিজেপিতে যোগ দেওয়া কাঁচড়াপাড়া পুরসভার ১৭ জনের মধ্যে ১২ জন ফের তৃণমূলে ফিরছেন বলে দাবি করেন যুব সভাপতি সুজিত বসুর। তা ঘটলে  কাঁচরাপাড়া পুরসভার বোর্ড ফের পুনর্দখল করবে তৃণমূল।  কাঁচরাপাড়া পুরসভায় মোট আসন ২৪। তার মধ্যে একজন সিপিএম ও একজন নির্দল কাউন্সিলর, বাকি ২২ জন তৃণমূলের। সেই ২২ জনের মধ্যে শুভ্রাংশু রায়ের সঙ্গে দিল্লি যান ১৭ জন। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন চেয়ারম্যান সুদামা রায়ও।তারপরই কাঁচরাপাড়া পুরবোর্ড ঘিরে আশঙ্কা দানা বাঁধে। এবার ১২ জন কাউন্সিলর তৃণমূলে যোগ দিলে, ফের তৃণমূলের হাতেই চলে আসবে কাঁচরাপাড়া পুরসভা।অন্যদিকে, পুরসভা হাতছাড়া হতেই বিজেপিতে শুরু হয়েছে দোষারোপ পর্ব৷ এজন্য বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের কাঁধেই দোষ চাপিয়েছেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং৷ তিনি বলেন, ‘‘আমি জানতাম ও (অংশুমান) একটা বেইমান। মুকুলদাই ওকে নিয়ে এসেছিল। ও আমাদের কোনওদিনই ছিল না।’’ অন্যদিকে মুকুল রায় জানান, ‘‘অর্জুন আমাকে না করেছিল। কিন্তু আমার বয়স হয়েছে তাই ভালভাবে কেউ কিছু বললে সত্যি বলে মেনে নিই। ওকেও দলে নিয়েছিলাম।’’

Spread the love