কলকাতা জেলা প্রথম পাতা

“রাজনীতিতে যে কেউ আসতে পারেন, ভোটে দাঁড়ানো গণতান্ত্রিক অধিকার” বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য

নিজস্ব প্রতিনিধি : মঙ্গলবার তৃণমূলনেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভা ভোটের প্রার্থী ঘোষণার পর দেখা গেল, ৪২টি আসনের মধ্যে ১৭ জন মহিলা। ২০১৯ শে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় এবারেরে মমতার নতুন চমক, দুই টলিঅভিনেত্রী নুসরাত জাহান এবং মিমি চক্রবর্তীকে প্রার্থী করা তার মধ্যে অন্যতম। যাদবপুর থেকে মিমি এবং বসিরহাটে তৃণমূলের হয়ে ভোটযুদ্ধে লড়ছেন নুসরত৷ প্রার্থীতালিকা ঘোষণার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার শিকার হয় এই দুই অভিনেত্রী৷ যত সময় এগোয় ততই বাড়তে থাকে ট্রোলের ঢেউ। শালীনতার মাত্রাও ছাড়িয়ে যায় বেশ কিছু মিম। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করলেন মিমির বিরুদ্ধে ভোটে লড়তে নামা যাদবপুরের বাম প্রর্থী তথা কলকাতার প্রাক্তন মেয়র বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।
বিকাশবাবু বলেন, “রাজনীতিতে যে কেউ আসতে পারেন। ভোটে দাঁড়ানো গণতান্ত্রিক অধিকার। তাই বলে তাঁদের পেশা নিয়ে আক্রমণ করা হবে, এটা কখনই কাম্য নয়। আমি এই ধরনের রুচিহীন কাজের নিন্দা করছি।” মিমি সম্পর্কে দুঁদে আইনজীবী বলেন, “ওঁর সঙ্গে আমার লড়াই শুধুমাত্র নীতির। এর বাইরে আর কিচ্ছু নয়।”

Image result for mimi chakraborty

মিমি এবং নুসরতকে প্রর্থী ঘোষণা করার পর থেকেই তাঁদের পোশাক-সহ একাধিক ব্যক্তিগত বিষয়কে তুলে আনে বিরোধী সমর্থকরা। বাদ যাননি অতি উৎসাহী বাম সমর্থকরাও। পর্যবেক্ষকদের মতে, এর মধ্যে দিয়ে বিকাশবাবু নিজের দলের কর্মীদেরও বার্তা দিতে চাইলেন।

প্রসঙ্গত, চিত্র তারকা বা সমাজের অন্য অংশের মানুষকে ভোটে দাঁড় করানো বাংলায় মোটেই নতুন নয়। তাপস পাল বা শতাব্দী রায়দের দিয়ে তৃণমূলই যে তা শুরু করেছে এমনও নয়। অতীতে বামেরাও করেছে। একদা কংগ্রেসের গড় চৌরঙ্গী থেকে বাম প্রার্থী হয়ে জিতেছিলেন অভিনেতা অনিল চট্টোপাধ্যায়। অভিনেতা বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়কে একাধিকবার ভোটে দাঁড় করিয়েছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। সিপিএমের টিকিটে জিতেই কৃষ্ণনগরের সাংসদ হয়েছিলেন এশিয়াডে ‘সোনার মেয়ে’ জ্যোতির্ময়ী শিকদার। বিকাশবাবু হয়তো সবটা বুঝেই এ কথা বলেছেন বলে মনে করছেন অনেকে।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।