Aamar Sokal (February 20) : Delhi has a fixed schedule for violence, Amit Shah should quit: Sonia Gandhi
দেশ প্রথম পাতা রাজনৈতিক

আমার সকাল : দিল্লিতে হিংসার পিছনে নিদিষ্ট ছক রয়েছে, অমিত শাহের উচিত পদত্যাগ করা : সনিয়া গান্ধী

নিজস্ব প্রতিনিধি : ‘‘গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোথায় ছিলেন? কী করছিলেন তিনি? পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখেও কেন আগে থেকে আধাসেনা ডাকা হল না?’’ বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে সনিয়া একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দিকে। পাশাপাশি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও দায়ী করেছে সনিয়া গান্ধীর দল।

এদিন সকালে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক বসে। তাতে বলা হয়, শহরে শান্তি ফেরাতে ‘চূড়ান্ত ব্যর্থতার’ জন্য অমিত শাহকে পদত্যাগ করতে হবে। বিজেপিকে এই অশান্তির জন্যে দায়ী করে কংগ্রেস নেত্রী বলেন, “বিজেপি দলের নেতারা ভোটের আগে উস্কানিমূলক ভাষণ দিয়েছেন। রবিবার থেকে যে দুঃখজনক ঘটনা ঘটছে, তার পিছনে আছে নির্দিষ্ট ছক। দিল্লির ভোটের সময় বিজেপির কয়েকজন নেতা উস্কানিমূলক ভাষণ দিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল ঘৃণা ও ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করা।”

তবে তার কিছুক্ষণের মধ্যেই পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন করে সনিয়ার বিরুদ্ধে সংঘর্ষ নিয়ে রাজনীতি করার পাল্টা অভিযোগ তুলে তোপ দেগেছেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধীর মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক। এমন পরিস্থিতিতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সব রাজনৈতিক দলের চেষ্টা করা উচিত। সেটা না করে উনি নোংরা রাজনীতি করছেন। সংঘর্ষে রাজনৈতিক  রং দেওয়া অনুচিত।’’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আবেদন, “দয়া করে রাজনীতি ছেড়ে শান্তি বজায় রাখুন। হিংসার রাজনীতিকরণ করবেন না।”

মঙ্গলবার সকালে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার পর দিল্লির মানুষকে আশ্বাস দিয়ে অরবিন্দ কেজরীবাল বলেন, ‘‘সকলেই চান হিংসা বন্ধ হোক। সে জন্যই আজ বৈঠক ডেকেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠক ভালই হয়েছে। শহরে শান্তি ফেরাতে সব রাজনৈতিক দল একজোট হয়ে কাজ করবে। প্রয়োজনে সেনাও নামানো হতে পারে।’’

তবে এদিনের বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “গোলমালের সময় পুলিশ ঠিক করতে পারেন লাঠিচার্জ করবে না টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটাবে। পুলিশের শীর্ষস্থানীয় অফিসাররা তাদের কোনও নির্দেশ দেননি।” তিনি আরও বলেন,”শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি দিল্লিবাসীর কাছে। উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে হিংসায় অনেক সাধারণ মানুষ এবং পুলিস কর্মী আহত হয়েছেন। দোকান, বাড়ি জ্বালানো হচ্ছে। এটা দুর্ভাগ্যবশত। জেলা শাসকের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে বলে জানান তিনি। পুলিস সংখ্যা কম থাকায় হিংসা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না।”

 

Spread the love