Aamar Sokal (December 19) : Unnau-Kand convicted expelled BJP MLA Kuldeep Senger!
দেশ প্রথম পাতা

আমার সকাল : উন্নাও-কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত বহিষ্কৃত বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গার! ১৯ ডিসেম্বর শাস্তি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিনিধি : উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হলেন বহিষ্কৃত বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গার। ১৯ ডিসেম্বর শাস্তি ঘোষণা হবে তার। তবে এই মামলায় আর এক অভিযুক্ত শশী সিং-কে বেকসুর খালাস করেছে আদালত।

এই মামলার অন-ক্যামেরা ট্রায়ালে সরকার পক্ষের ১৩ জন সাক্ষী এবং ডিফেন্সের ৯ জন সাক্ষীর বয়ানের পরীক্ষা-নীরিক্ষা হয়েছে। গত ২৮ জুলাই উন্নাওয়ে নিগৃহীতার গাড়িতে ট্রাক ধাক্কা মারায় সাংঘাতিক জখম হন তিনি। তাঁকে লখনউ থেকে নিয়ে যেতে হয় দিল্লির AIIMS হাসপাতালে। বেশ কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ার পর ধীরে ধীরে তাঁর অবস্থার উন্নতি হয়। তাঁর বয়ান রেকর্ড করার জন্য AIIMS-এই বসানো হয় বিশেষ আদালত। উন্নাওয়ের নাবালিকাকে গণধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের হয় সেঙ্গারের বিরুদ্ধে। পকসো আইনে চার্জশিট পেশ করে পুলিশ।

২০১৭ সালের ৪ জুন উত্তর প্রদেশের উন্নাওয়ের মনখি গ্রাম থেকে নিখোঁজ হন ১৭ বছর বয়সী ও কিশোরী। ২১ জুন অউরিয়া থেকে উদ্ধার করা হয় তাঁকে। অভিযোগ, তাঁকে অপহরণ করে স্থানীয় বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গার ও তার ভাই অতুল। এর পর দফায় দফায় গণধর্ষণ করা হয় ওই কিশোরীকে। ঘটনায় ওই বছর ২২ জুন কুলদীপ সেঙ্গার-সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে পুলিসে অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতার বাবা। দায়ের হয় মহিলাকে অপহরণ করে বিয়ে করতে বাধ্য করার ধারায় মামলা।

 আমার সকাল: সেঙ্গারের ধর্ষণের পরেও ৩ জনের লালসার শিকার হয়েছিল উন্নাওয়ের ধর্ষিতা, চার্জশিটে জানালো পুলিশ

তার পরে বহুবার সেঙ্গারের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ করতে গেলেও পুলিশ সে অভিযোগ নেয়নি বলে দাবি তাঁর পরিবারের। শেষমেশ অভিযোগ নিলেও, অগ্রগতি হয়নি তদন্তের। পরিবারের দাবি, ফের অভিযোগ করতে গেলে, উল্টে কুলদীপ সেঙ্গারের দায়ের করা মিথ্যে এফআইআরের ভিত্তিতে তরুণীর বাবাকে গ্রেফতার করা হয়। তার পরে বহুবার সেঙ্গারের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ করতে গেলেও পুলিশ সে অভিযোগ নেয়নি বলে দাবি তাঁর পরিবারের। শেষমেশ অভিযোগ নিলেও, অগ্রগতি হয়নি তদন্তের। পরিবারের দাবি, ফের অভিযোগ করতে গেলে, উল্টে কুলদীপ সেঙ্গারের দায়ের করা মিথ্যে এফআইআরের ভিত্তিতে তরুণীর বাবাকে গ্রেফতার করা হয়। ২০১৮ সালের ৮ এপ্রিল নিগৃহীতা কিশোরী ও তার মা মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ যোগীর বাড়িতে গিয়ে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তখনই জানাজানি হয় ঘটনাটি।

পর দিনই পুলিস হেফাজতে মৃত্যু হয় নির্যাতিতার বাবার। অভিযোগ, ১১ এপ্রিল নির্যাতিতার গোটা পরিবারকে নিরাপত্তার দেওয়ার নাম করে হোটেলে বন্দি করে রাখে পুলিস। পরদিনই গ্রেফতার হয় কুলদীপ ও অতুল সেঙ্গার। তাদের গ্রেফতার করে সিবিআই।

Spread the love