Aamar sokal (August 19) : Pak Commando in harami nala, Red Alert issued in al ports of Gujarat
দেশ প্রথম পাতা

আমার সকাল : হারামি নালায় পাক কম্যান্ডো, গুজরাতের সব বন্দরে জারি রেড অ্যালার্ট

নিজস্ব প্রতিনিধি : গুজরাতের বন্দর দিয়ে ভারতে ঢুকে পড়তে পারে প্রশিক্ষিত কম্যান্ডোরা। এমনই গোয়েন্দা তথ্য পেয়ে বন্দরগুলিতে রেড অ্যার্লাট জারি করল কেন্দ্র। কচ্ছের হারামি নালায় দুটি ছোট ছোট পাক নৌকো দেখা গিয়েছে বলেও সূত্রে খবর। আশঙ্কা, ভারতে অনুপ্রবেশ করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বা হামলার পরিকল্পনা করছে পাক কম্যান্ডোরা।

IB সূত্রে সংবাদসংস্থা ANI-এর দাবি, জলপথে কচ্ছ এলাকা দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে পাক কম্যান্ডোরা। স্যার ক্রিক বা নদীবহুল এলাকা দিয়ে এদেশে ঢোকার চেষ্টা করা হতে পারে। ইনটেলিজেন্স মারফত খবর পেয়েই সতর্ক করা হয়েছে BSF, উপকূলরক্ষী বাহিনী-সহ সব এজেন্সিকে। পাশাপাশি গুজরাতের কান্দলা বন্দরেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

আমার সকাল: ছন্দে ফিরছে উপত্যকা, চালু হল পাঁচ জায়গার ইন্টারনেট পরিষেবা

আশঙ্কা আরও, কম্যান্ডো সেজে জইশ জঙ্গিদেরও এদেশে ঢোকানোর পরিকল্পনা নিয়েছে পাক সেনা। সেই বার্তাও আগেই দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

গোয়েন্দাদের একটি সূত্রের খবর, গুজরাতের কচ্ছের রণ এলাকায় জলপথে পাকিস্তান প্রশিক্ষিত জঙ্গি বা কম্যান্ডোরা ঢুকে পড়তে পারে। তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা চালাতে পারে বা জঙ্গি হামলাও চালাতে পারে— এমনই ‘ইনপুট’ পেয়েছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। তার পরই রাজ্যের সব বন্দরেই কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আমার সকাল: দিল্লিকে চরম বার্তা, রাতভর পরমানু অস্ত্র ব্যালিস্টিক মিসাইল টেস্ট করলো পাকিস্তান

ঠিক কোন জায়গা দিয়ে জঙ্গিরা ঢুকতে পারে, সেই নির্দিষ্ট তথ্যও হাতে এসেছে গোয়েন্দাদের। আদানি পোর্ট ও স্পেশাল ইকনমিক জোন (সেজ)-এর তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উপকূলরক্ষী বাহিনীর কার্যালয় থেকে তাদের জানানো হয়েছে, কচ্ছ উপসাগরের হারামি নালা বা স্যর প্রিক রো দিয়ে জঙ্গিরা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকতে পারে। এই জঙ্গিরা জলের নীচে হামলা চালানোতেও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

সতর্কতা জারি করে উপকূল রক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, সম্ভাব্য পাক জঙ্গি হানার আশঙ্কায় ‘‘নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে কোনও রকম পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে বাহিনীকে।’’

আমার সকাল: অক্টোবর-নভেম্বরেই  হবে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, এটাই শেষ! আগাম হুঁশিয়ারী পাকমন্ত্রীর

এই সতর্কতা জারির পরই গুজরাতের সড়ক পথেও চালু হয়েছে নাকা চেকিং। বন্দরে বন্দরে স্পিড বোট নিয়ে টহল শুরু করেছে নৌসেনাবাহিনী। আগামী ২৪ ঘণ্টা পেট্রলিং চলবে। সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী। হারামি নালাকেই সবচেয়ে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাই সেখানে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের তরফে।

কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর থেকেই ভারতের সঙ্গে ফের ঠাণ্ডা লড়াইয়ে নেমেছে পাকিস্তান। উত্তেজনা বেড়েছে সীমান্ত পারে। অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন করে প্রায়ই গুলিবর্ষণ করছেন পাক রেঞ্জার্সরা। পালটা জবাব দিচ্ছে ভারতীয় সেনাও। আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েও পাকিস্তান বিশেষ সুবিধে করতে পারেনি। এরপর যুদ্ধের হুমকি দেওয়া শুরু করেছে প্রতিবেশী দেশ।তার মধেই বৃহস্পতিবার নয়া মিসাইল পরীক্ষা করে ফেললো ইসলামাবাদ।

আমার সকাল: ছন্দে ফিরছে উপত্যকা, চালু হল পাঁচ জায়গার ইন্টারনেট পরিষেবা

সপ্তাহ খানেক আগেই একবার পরমাণু যুদ্ধের কথা বলতে শোনা গিয়েছিল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে। এরপর গত ২৬ অগস্ট ফের একই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।২৬ তারিখেই এই মিসাইল পরীক্ষার বিষয়ে ভারতকে জানিয়েছে পাকিস্তান।

 

 

Spread the love