aamar sakal: Abuse of the Government for the ABCD Officer! The bureaucrats were threatened with the ration card problem
কলকাতা জেলা প্রথম পাতা রাজ্যের খবর

আমার সকাল: এবিসিডি অফিসারের জন্য সরকারের বদনাম! রেশন কার্ডের সমস্যা নিয়ে মমতার ধমকের মুখে পড়লেন আমলারাও

নিজস্ব প্রতিনিধি: গত সোমবার হওড়া শরৎ সদনে ডিজিটাল রেশন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের হয়রানি নিয়ে নিজের ক্ষোভ জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সোমবার সেই একই ইস্যুতে ধমক দিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলার সরকারি আমলাদের। সঙ্গে যোগ করলেন কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জটিলতাও।

আরো পড়ুণ:   এবিসিডি অফিসারের জন্য সরকারের বদনাম! রেশন কার্ডের সমস্যা নিয়ে মমতার ধমকের মুখে পড়লেন আমলারাও

এ দিন জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী আমলাদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, “এখানে কাস্ট সার্টিফিকেট নিয়ে এত সমস্যা কেন।” এক আমলা উঠে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে ১৯৫১ সালের কোনও কিছুর লিঙ্কের কথা বলতে চান। বোঝানোর চেষ্টা করেন, নির্দিষ্ট কিছু ডকুমেন্ট না দিলে এই সার্টিফিকেট দেওয়া যাচ্ছে না।

আরো পড়ুণ:  দলের পুরোনো সংগঠনেই ভরসা, এসসি-এসটি কর্মীদের তথ্য জানতে চায় তৃণমূল

তাঁর কথা শেষ করার আগেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “১৯৫১ সালের কথা বলে কোনও লাভ আছে। আমার কাছে যদি আমার মায়ের সার্টিফিকেট চায়, আমি দেব কী ভাবে? অদ্ভুত তো! আপনাদেরও বলছি তো, নিয়মটা সোজা করুন। মানুষের যাতে অসুবিধে না হয় দেখুন।”একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ঢুকে পড়েন রেশন কার্ড প্রসঙ্গে। বলেন, “আপনারা কী করছেন? যার পাওয়ার কথা নয়, সে পাচ্ছে।

আরো পড়ুন:    উন্নয়নের টাকায় বেতন নয়, অর্থমন্ত্রকের অনুমোদন নিয়েই কর্মী নিয়োগ করতে হবে পুরসভাগুলিকে! নোটিশ জারি করলো নবান্ন

আর যার দরকার সে পাচ্ছে না।” মমতা আরও বলেন, “রেশন ডিলাররা চাল তুলে নিয়ে অন্য জায়গায় বেচে দিচ্ছে। আমার কাছে সব খবর আছে।” তবে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে সরকারি আধিকারিকদের ‘এ বি সি ডি’ অভ্যেস নিয়ে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোমবার লোক সংস্কৃতি ভবনের এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শস্য গোলা বর্ধমানের চাষের খোঁজ খবর নিচ্ছিলেন। কেমন বৃষ্টি হয়েছে, কতটা জমিতে চাষ হয়েছে, যেটায় হয়নি সেটা কেন হয়নি, ইত্যাদি প্রভৃতি। সেখানেই কৃষি দফতরের আধিকারিক মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, ৯৭ শতাংশ জমিতে ধান চাষ হয়েছে। বাকি যে তিন শতাংশ, সেখানে জল জমে থাকার জন্য করা যায়নি।

ওই জমি থেকে জল ছেঁচে ফেলতে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনকে উদ্যোগী হতে নির্দেশ দেন। তখন এক আধিকারিক মুখ্যমন্ত্রীকে বলেন, “ম্যাডাম অলরেডি এই অর্ডার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অনেকে সে সব দেখেননি।” এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হ্যাঁ! আমাদের মধ্যে অনেকের এ বি সি ডি অভ্যেস রয়েছে।” মুখ্যমন্ত্রী নিজেই সেটা ব্যাখ্যা করে বলেন, “এ-তে অ্যাভয়েড, বি-তে ব্লক, সি-তে কনফিউশন আর ডি-তে ডিলে।” অর্থাৎ কাজ এড়িয়ে যাওয়া, বাধা দেওয়া, জটিলতা তৈরি করা বা অযথা দেরি করা। এর কোনওটাই যে সুষ্ঠু প্রশাসনের লক্ষ্মণ নয় এবং মুখ্যমন্ত্রী যে একেবারেই তা পছন্দ করছেন না তা-ও স্পষ্ট করে দেন।