আজকের সারাদিন দেশ প্রথম পাতা

লোকসভায় ৩৭০ বাতিলের পর ৩৭০ ভোট পেয়ে পাশ কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজ্যসভা আগেই সম্মতি দিয়েছিল। এবার জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের প্রস্তাবে সম্মতি দিল লোকসভা। মঙ্গলবার সংসদের উচ্চকক্ষে কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল গতকালই পাশ হয়ে গিয়েছিল। আর আজ লোকসভায় সেই বিলের পক্ষে ভোটাভুটিতে ৩৭০টিই ভোট পেল সরকার। বিলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন ৭০ জন। আজ সভায় এই সংক্রান্ত প্রস্তাব বিপুল ভোটে গৃহীত হয়েছে। সেইসঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন বিলে সবুজ সংকেত দিল সংসদের নিম্নকক্ষ। ধ্বনী ভোটে বিলটি গৃহীত হয়।

এ দিন লোকসভায় বিলটি পাশ করাতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “৩৭০ ধারা কাশ্মীর এবং বাকি দেশের মধ্যে একটা পাঁচিল তুলে রেখেছিল। তা আজ ভেঙে গেল।”

সংসদের দুই কক্ষে বিলটি পাশ হয়ে যাওয়ার পর এখন তাতে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সইয়ের অপেক্ষা মাত্র। তারপরেই সরকারি ভাবে ভাগ হয়ে যাবে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য। নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের কোনও বিধানসভা থাকবে না। তবে জম্মু-কাশ্মীর কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হলেও সেখানে আইনসভা থাকবে। সরকার এ-ও জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির সইয়ের পর জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের ডিলিমিটেশনের কাজও শুরু হয়ে যাবে।

এই বিলে বর্তমান জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যকে ভাগ করে দু’টি কেন্দ্র শাসিতঅঞ্চল করার কথা বলা হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলকে নিয়ে একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠিত হবে। অন্যদিকে, লাদাখও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হতে চলেছে। জম্মু-কাশ্মীরের ক্ষেত্রে পৃথক আইনসভা থাকলেও লাদাখের জন্য তা থাকছে না। সেইসঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে লেফটেন্যান্ট গভর্নর বা উপ-রাজ্যপাল পদ তৈরি হবে বলে জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন আইনে উল্লেখ করা হয়েছে।