কলকাতা প্রথম পাতা

সাঁওতালি ভাষায় শহিদ মঞ্চে বক্তব্য রাখলেন ডেপুটি স্পিকার! মমতার সামনেই শুভেন্দু বললেন, ইভিএমের ভোটে বিজেপি জেতা, ব্যালটে হলেই হারে

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২১শে জুলাইয়ের সভামঞ্চে জঙ্গলমহল এবং পাহাড়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওযা হল।সভার শুরু পরেই তৃণমূল কংগ্রেস মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় প্রথমেই বক্তব্য রাখার জন্য ঝাড়গ্রাম বিধানসভার বিধায়ক তথা বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সুকুমার হাঁসদাকে আমন্ত্রন জানান।বাংলায় নিজের বক্তব্য শুরু করলেও ডা. সুকুমার হাঁসদা এদিন সিংহভাগ বক্তব্যই রেখেছেন সাঁওতালি ভাষায়।তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে আদিবাসীদের উন্নয়নে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যজুড়ে কি কি করেছেন তা তিনি মিনিট চারেকের বক্তব্যে তুলে ধরেন। এদিন একইভাবে পাহাড়ের প্রতিনিধিত্ব করেন বিনয় তামাং।বক্তব্য রাখার সুযোগ পেয়েছেন কেশপুরের বিধায়ক শিউলি সাহা। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন সেইসময় মঞ্চ থেকে ঝাঁঝালো বক্তব্য রাখছেন পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্যতেই স্পষ্ট হয়েছে যে বিজেপিকে রুখতে তৃণমূলের অস্ত্র  রাজ্য সরকারের উন্নয়ন।একুশের মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, “বাংলার জনগণমনঅধিনায়িকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যে উন্নয়ন করেছে এবং করছে, সেটাকেই অস্ত্র করে বিজেপি-র বিরুদ্ধে লড়তে হবে।”

এ বার একুশে জুলাইয়ের মূল স্লোগানই ছিল, ‘ইভিএম নয়, ব্যালট চাই’। শুভেন্দু এ দিন বলেন, “এটা ভারতবর্ষের মানুষ বুঝে গিয়েছেন, ইভিএমে ভোট হলেই ভারতীয় জনতা পার্টি জেতে। আর ব্যালটে ভোট হলেই বিজেপি হারে।” এ প্রসঙ্গে নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “কর্ণাটকে ইভিএমে লোকসভা হল। বিজেপি জিতল। কয়েকদিন পর পুরসভার ভোট হল, ওরা হারল। রাজস্থানে লোকসভায় জিতল। চারদিন পর পঞ্চায়েতে ভোট হল, ওরা হারল।”