দেশ প্রথম পাতা

মধ্যপ্রদেশে আয়কর হানায় উদ্ধার হিসাব বহির্ভুত ২৮১ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিনিধি— ভোটের আগে কালো টাকার লেনদেন রুখতে দেশ জুড়ে চলছে কড়া তল্লাশি। সঙ্গে চলেছে আয়কর হানাও। এবার মধ্যপ্রদেশ জুড়ে আয়কর হানায় গত দুদিন উদ্ধার হয়েছে হিসাব বহির্ভূত ২৮১ কোটি টাকা। এ ছাড়াও বাঘের চামড়া ও মদের বোতলও উদ্ধার হয়েছে। সোমবার আয়কর বিভাগের দেওয়া একটি বিবৃতিতে এ কথা জানা গিয়েছে।

আয়কর বিভাগের বিবৃতি থেকে জানা গিয়েছে, এই নগদ টাকার মধ্যে ২০ কোটি টাকা একটি বড় রাজনৈতিক দলের অফিসে পাঠানো হচ্ছিল। হাওয়ালার মাধ্যমে এই টাকা পাঠানো হচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। আরও জানানো হয়েছে, একজন প্রভাবশালী নেতার আত্মীয়দের কাছ থেকেও একটা বড় পরিমাণে হিসেব বহির্ভূত টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই টাকার হিসেব কম্পিউটারের মধ্যে এক্সেল শিটের মধ্যে লেখা ছিল। এই টাকা ছাড়াও এই এক্সেল শিটের মধ্যে আরও ২৩০ কোটি টাকার হিসেব বহির্ভূত আদানপ্রদানের খবরও পাওয়া গিয়েছে। ৮০টির বেশি নকল কোম্পানির মাধ্যমে এই টাকার লেনদেন করা হয়েছে বলে আয়কর বিভাগ সূত্রে খবর।

উল্লেখ্য, রবিবার মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের প্রাক্তন সচিব প্রবীণ কক্কর ও প্রাক্তন উপদেষ্টা রাজেন্দ্র কুমার মিংলানির বাড়িতেও হানা দেন আয়কর বিভাগের আধিকারিকরা। এছাড়া কর্ণাটকের কংগ্রেস-জনতা দল নেতাদের বাড়িতে হানা দিয়েছিল আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। কর্ণাটকে আয়কর হানা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে বিজেপি নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্যই ব্যবহার করছে।

এদিকে রবিবার নির্বাচন কমিশনের তরফে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্বাচনের আগে এই হানা যেন কোনও রাজনৈতিক দলের রং দেখে না করা হয়। এমনকী কোনও জায়গায় হানা দেওয়ার আগে নির্বাচন কমিশনকে জানানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমতির পরেই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি এই হানা দিতে পারবে বলে জানা গিয়েছে।