কলকাতা জেলা প্রথম পাতা

সংঘের আপত্তি কাঁটা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বিজেপির! ‘অভিষেকের’ বিরুদ্ধে মহিলা প্রার্থী করেই চমক দিতে চাইছে পদ্মশিবির

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে লোকসভার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। দিল্লির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ২৩টি আসন জেতার টার্গেট দিয়েছে দিলীপ ঘোষ-রাহুল সিনহাদের। তাই প্রার্থী পদ বাছাই থেকেই তৃণমূলকে চমক দিতে চাইছে বিজেপি।একদা তৃণমূলের সেকেন্ড ম্যান মুকুল রায় চাইছেন কি করে রাজ্যে পদ্মের বিকাশ ঘটানো যায়। গেরুয়া হাওয়ায় অনেকেই ভেসে আসছেন পদ্মশিবিরে।  মুকুলের হাত ধরে বাঁকুড়ার সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, ভারতী ঘোষ ও শঙ্কুদেব পণ্ডারা ইতিমধ্যেই  বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন। মুকুল রায়ের বক্তব্য এখনো বহু নেতা-নেত্রী বিজেপির যোগাযোগ রেখে চলছেন।সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ স্পষ্ট করে দিয়েছেন, অন্য দল থেকে লোক ভাঙিয়ে আনতে হবে।  কিন্তু, এবার এক মহিলাকে দলে নেওয়া নিয়ে ঘোরতর বিরোধিতা করল হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। 

ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এক মহিলাকে প্রার্থী করতে চাইছে রাজ্য বিজেপি। ওই মহিলাকে নিয়েই আপত্তি সঙ্ঘ পরিবারের। জনমানসে প্রতিষ্ঠিত, ওই মহিলার কারণেই নাকি সব ক্ষমতা ত্যাগ করেছেন ওই নেতা। তবে তাঁকে প্রার্থী করলে সঙ্ঘের সনাতনী ঐতিহ্যেই আঘাত লাগবে বলে মনে করছে সংঘ পরিবার। একটা আসনে জয়লাভ করতে গিয়ে ভারতীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী কোনও বিষয়কে আঘাত করা অনুচিত। 

বিজেপির অন্দরেও উঠছে প্রশ্ন, ওই মহিলাকে প্রার্থী করলে আঘাত খেতে পারে দলের ভাবমূর্তি। সূত্রের খবর, শঙ্কুদেব পণ্ডা ও ভারতী ঘোষের অন্তর্ভূক্তির পর হতাশ বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। দলের শীর্ষ নেতাদের কাছে ক্ষোভপ্রকাশও করেছেন তাঁরা। যদিও প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করবে দিল্লি। তবে সর্বশেষ বলা যায় বাংলায় ৪২ জন প্রার্থী খুঁজতে কার্যত হিমশিম খেতে হচ্ছে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের। কারণ, হাতে সময় আর বেশী নেই সেদিকে তাকিয়ে ঘর গোছাতে ব্যস্ত শাসক-বিরোধী সবপক্ষই। তবে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের প্রার্থী তালিকা প্রায় শেষের পর্যায়ে। এখন শুধু দিল্লির শিলমোহর পাওয়ার অপেক্ষা।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।