জেলা প্রথম পাতা

লড়াইয়ের অপেক্ষায় আলিপুরদুয়ার! তৃণমূল প্রার্থী সম্পর্কে মেসো, আর্শীবাদ নিয়েই ভোট যুদ্ধে নেমে পড়লেন বাম প্রার্থী মিলি

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোটের লড়াই জমজমাট। শাসক-বিরোধী কেউই কাউকে এক ইঞ্চিও জায়গা ছাড়তে নারাজ। সে ঘরের লোক হোক বা প্রতিপক্ষ লড়াই যে হবে সমানে সমানে তা বোঝা গেল আলিপুরদুয়ারের ভোট ময়দানেই। একসময় বামপন্থী হিসেবেই আলিপুরদুয়ারে পরিচিতি ছিল দুই তিরকে পরিবারের। সেই আদর্শের বাঁধনেই যেন আরও বেশি করে বাঁধা পড়েছিলেন মামাতো-পিসতুতো বোন সীতামণি আর চন্দ্রকলা। রাজ্যে পালা বদলের পর দীর্ঘ বামপন্থী রাজনৈতিক জীবনকে পিছনে ফেলে রেখে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন দশরথ তিরকে। আর সেই দশরথ তিরকেই এবার তৃণমূল প্রার্থী। কিন্তু চমক লুকিয়ে অন্য জায়গায়। এ বার আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রে বামেদের প্রার্থী মিলি ওঁরাও। তৃণমূলের টিকিটে তাঁর বিরুদ্ধে যিনি লড়ছেন তিনি সম্পর্কে মিলির মেসো দশরথ তিরকে। আর ভোটের টিকিট পেয়েই মিলি ওঁরাও বললেন, “মেসো আশীর্বাদ করো।” মেসো দশরথ তিরকেও হাস্যমুখ বললেন, “আশীর্বাদ করি, শুভেচ্ছা রইল।” যদিও দশরথবাবুই বলছেন, “আগে আমরা একই রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য ছিলাম। আমি আরএসপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর  সেই পরিবার ভাগ হয়ে গেছে। তবে রাজনৈতিক লড়াইয়ের সঙ্গে পারিবারিক বাঁধনের তো কোনও যোগাযোগ নেই।”

বামেদের আগে এ বার  লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই কারণে মিলির প্রার্থী হওয়ার আগে দশরথের প্রার্থী হওয়ার খবর জানতো দুই পরিবার। মিলি বামেদের প্রার্থী হতেই, একেবারেই দুই মেরুতে দুই পরিবার। মিলি বললেন, “যেদিন আমি প্রার্থী হয়েছি সেদিন মেসো আমাকে ফোন করেছিলেন। আমি আশীর্বাদ চেয়েছিলাম। তিনি আমাকে আশীর্বাদ দিয়েছেন। আমাদের লড়াইতো ভোটের ময়দানে। পারিবারিক সম্পর্কে তার প্রভাব পড়বে কেন?”

 

 

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।