কলকাতা জেলা প্রথম পাতা

 রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই!রাজ্যের বাম-কংগ্রেস জোটের ভবিষ্যৎ এখনও থমকে রয়েছে দিল্লির কাছেই

নিজস্ব প্রতিনিধি: তীর্থের কাক বললেই যেন ঠিক বলা হয়! জোট ভাঙার অপেক্ষায় দীপা দাশমুন্সি। অনেক কাঠ-খড় পুড়িয়ে ও যখন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস ও সিপিএমের রাজ্য কমিটি জোটজট খুলতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। ঠিক তখন প্রকৃত নেতার মতোই রায়গঞ্জ ও মুর্শিদাবাদ আসন সিপিএমকে ছেড়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু এবার ফরওয়ার্ড ব্লকের জেদের জেরে আবারও ভেস্তে যেতে বসেছে কংগ্রেস-সিপিএম জোট সম্পর্ক। ফরওয়ার্ড ব্লকের দাবি কোচবিহার,পুরুলিয়া ও বারাসাতের মধ্যে একটি কেন্দ্র তারা কংগ্রেসকে ছাড়বেন না। পুরুলিয়া কেন্দ্রে প্রার্থী দিতে চায় কংগ্রেস। ফব-র এমন অনড়  দাবিতে বেজায় চটেছে বাংলার কংগ্রেস। তাদের দাবি, বাংলায় ফরওয়ার্ড ব্লকের সংগঠন বলতে কিছুই নেই। সিপিএমের কাঁধে ভর করে ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকার পাশাপাশি, প্রায় ৪০ বছর ধরে সংসদে প্রতিনিধি পাঠাচ্ছে তারা।

কিন্তু ২০১১ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সিপিএম  নিজেই অস্তিত্ব সংকটে ভুগতে শুরু করেছে। এমতাবস্থায় ফব-র দাবিকে অযৌক্তিক বলেই মানছে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। এমন পরিস্থিতিতে বাংলায় জোট ভেঙে যেতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। আর সেই জোট ভেঙে যাওয়ার অপেক্ষা করছেন প্রয়াত প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির রাজনীতিক স্ত্রী। দিল্লিতে কয়েক দফায় বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয় বর্গী ও মুকুল রায়ের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে দীপার। কিন্তু তাদের চূড়ান্ত সম্মতি দেননি রায়গঞ্জের প্রাক্তন সাংসদ। আর কিছুদিন পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নিতে চান তিনি। কোনও কারনে সিপিএম-কংগ্রেস জোট গেলে রায়গঞ্জে কংগ্রেস প্রার্থী হবেন দীপা দাশমুন্সি। তাই রায়গঞ্জে তাকে গেরুয়া শিবির প্রার্থী করতে চাইলে, তাদের আরও কিছুকাল অপেক্ষা করতে হবে বলেই সূত্রের খবর। রাজ্যের দ্বিতীয় দফায় ১৯ এপ্রিল ভোট রায়গঞ্জে। যদিও এদিন দীপা স্পষ্ট জানিয়েছে, তিনি বিজেপিতে যাচ্ছেন না। তবে প্রবাদ রয়েছে, “রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই।”

 

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।