আন্তর্জাতিক প্রথম পাতা

মাসুদ আজহার মৃত! জানাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া, নজর রাখছে ভারতীয় গোয়েন্দারাও

নিজস্ব সংবাদদাতা: ১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামার অবন্তীপোরায় সিআরপিএফ কনভয়ে ফিঁদায়ে হামলায় প্রাণ হারান ৪০ জন ভারতীয় সেনা জওয়ান। হামলার দায় স্বীকার করে নেয় জইশ-ই-মহম্মদ। এরপরই ১২ দিনের মাথায় পাকিস্তানের মাটিতে দ্বিতীয়বার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে ভারত। বোমার আঘাতে গুঁড়িয়ে দেয় বালাকোটে  জইশের সবচেয়ে বড় জঙ্গি ঘাঁটি । বালাকোট ঘাঁটিতে এয়ারস্ট্রাইকের ফলে মাসুদের ২ আত্মীয় সহ ৫ জইশ কম্যান্ডারের মৃত্যু হয়।এবার সামনে এল জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারের নাম। পাকিস্তানের একাধিক সূত্র থেকে জানা গিয়েছে মারা গিয়েছেন মাসুদ আজহার।দিন কয়েক আগে রাওয়ালপিণ্ডি সেনা হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মাসুদ আজহারকে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। তার কিডনি বিকল হয়ে গিয়েছিল।  ডায়ালিসিস চলছিল বলে খবর। এরপরই বিভিন্ন সূত্র থেকে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে মৃত্যু হয়েছে জইশ প্রধানের। তবে পাকিস্তানের তরফে এখনও মাসুদ আজহারের মৃত্যুর  খবর সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়নি। যদিও সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে গিয়েছে জইশ প্রধানের মৃত্যুর খবরে। গতকাল-ই মাসুদ আজহারের মৃত্যু হয়েছে বলে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে।কিন্তু কোনও সূত্র থেকেই সেই দাবির সমর্থনে কোনও নিশ্চয়তা মেলেনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে এবং ভারতের একাধিক টেলিভিশন চ্যানেলও এ দিন বিকেল থেকে জঙ্গি নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে জল্পনা শুরু হয়ে যায়। কিন্তু সন্ধ্যা পর্যন্ত পাক সংবাদ মাধ্যমে এ বিষয়ে কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক জায়গাতেই দাবি করা হয়েছে, বালাকোটের বিমান হানাতেই জখম হন ওই জইশ নেতা। তারপরই তিনি ভেন্টিলেশনে চলে যান। তবে সেই তথ্যের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন আছে। কারণ অনেক বিশেষজ্ঞেরই ধারণা যে পুলওয়ামার ঘটনার পর ভারত যে কোনও সময় পাল্টা হানা দিতে পারে এমন আশঙ্কা ছিল। সেখানে মাসুদের মত শীর্ষ নেতা কেন বালাকোটে যাবেন। তিনি আরও নিরাপদ কোথাও থাকবেন, এটাই স্বাভাবিক।

ভারতীয় গোয়েন্দাদের একাংশ মনে করছেন, খুব পরিকল্পিত ভাবেই ভারতীয় গোয়েন্দাদের বিপথে চালিত করতে পাক গোয়েন্দা সংস্থা এবং জইশ মাসুদের মৃত্যুর একটি খবর ছড়িয়ে দিয়েছে। সমস্ত সম্ভবনাই ভারতীয় গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছেন। 

 

 

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।