প্রথম পাতা

মহিষাদল প্রেস কর্ণারের উদ্যোগে প্লাস্টিক ও দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ, খুশি মন্ত্রী শুভেন্দু

নিজস্ব প্রতিনিধি— দূষণের মাত্রা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। দূষণ রোধের ব্যবস্থা না করা হলে একদিন ধরায় নেবে আসবে বিপর্যয়। তাই রাজ্য সরকার দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সর্বস্তরের মানুষকে আহ্বান জানিয়েছে। সেই আহ্বানে এবার এগিয়ে এলো সাংবাদিকরা। প্লাস্টিক আমাদের কাছে নিত্যকার ব্যবহারিক বস্তু হয়ে উঠেছে। আর সেই ব্যবহারিক প্লাস্টিক যত্রতত্র ফেলে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। দূষণ মুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে প্লাস্টিক বর্জন ও বৃক্ষরোপণ প্রয়োজন হয়ে উঠেছে। তাই মহিষাদল প্রেস কর্ণারে ১০ম বর্ষের ‘বসন্ত উৎসব’ অনুষ্ঠান থেকে প্লাস্টিক বর্জন ও বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানানো হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে যেমন প্লাস্টিক বর্জন করা এবং প্লাস্টিক ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানানো হয়েছে। মহিষাদল রাজবাড়ি রাজ্যে পর্যটন মানচিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখলে করে রয়েছে। সেই রাজবাড়ির আম্রকুঞ্জ যাতে প্লাস্টিকে ভরে গিয়ে সৌন্দর্যায়ন নষ্ট না হয় তার জন্য সকলকে সচেতন হতে হবে। আর সে বার্তা দেওয়ার জন্য মহিষাদল প্রেস কর্ণার এবার উৎসব প্রাঙ্গণে যাতে কোনও রকমে প্লাস্টিক ব্যবহার না হয় তার কড়া নজদারির ব্যবস্থা করে। দোলের সঙ্গে পলাশফুলের একটি গভীর সম্পর্ক। মহিষাদল রাজবাড়ির আম্রকুঞ্জের পাশাপাশি পলাশের ছোঁয়াও যাতে পাওয়া যায় তার জন্য আম্রকুঞ্জে পলাশগাছ রোপণের ব্যবস্থা করেছে মহিষাদল প্রেস কর্ণার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বসন্ত উৎসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে পলাশগাছে জল দিয়ে বৃক্ষরোপণের প্রতীকী সূচনা করেন রাজ্যের পরিবেশ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই সাথে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত সাংস্কৃতিক দলের হাতে একটি করে চারাগাছ তুলে দেওয়া হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে। মহিষাদল প্রেস কর্ণারের এই ধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারি। তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব সামগ্রী দিয়ে উৎসব অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভীষণ খুশি। শুধু মহিষাদল প্রেস কর্ণার নয়, আপামর মানুষকে হাতে হাত মিলিয়ে সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলার কথাও বলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সমাজ সচেতনতার পাশাপশি মহিষাদল প্রেস, কর্ণারের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত রাজ্যে বিভিন্ন জেলা থেকে সাংস্কৃতিক দল নিয়ে নাচ, গান, আবৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি পুরুলিয়া জেলার সংগীতশিল্পী নরেন হাঁসদা ও তাদের প্রতিষ্ঠানের আবাসিক কচিকাচাদের সংবর্ধনা জানানো হয়। নরেন হাঁসদা শুধু একজন শিল্পী নন। তিনি তাঁর এলাকার পিছিয়ে পড়া ছেলে-মেয়েদের বড় করে তোলার লক্ষ্যে অবিচল রয়েছেন।

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।