কলকাতা প্রথম পাতা

নির্বাচন কমিশনের বৈঠকেও উঠে এল সেই শোভন-বৈশাখী প্রসঙ্গ

নিজস্ব প্রতিনিধি — নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে উঠে এল সেই শোভন-বৈশাখীর প্রসঙ্গ। সম্প্রতি রায়চকের হোটেলে দুষ্কৃতিদের মুখে পড়েছিলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশকে সেই সময় শোভন চট্টোপাধ্যায় ফোনও করেছিলেন। কিন্তু ডায়মন্ডহারবারের পুলিশ সুপার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি বলে অভিযোগ। বাধ্য হয়ে শোভন চট্টোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হন। এই ঘটনায় এদিন তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ডেপুটি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন। তিনি শনিবার কমিশনের বৈঠকে ডায়মণ্ডহারবারের এসপিকে ধমক দেন কর্তব্যে গাফিলতির জন্য। ডায়মণ্ডহারবারের এসপি উত্তর জানান, পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। যদিও এই উত্তর পেয়ে খুশি হননি ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার। এসপিকে সাফ জানিয়ে দেন, কাজ করতে কোনও অফিসার বাধা দিলে আমাদের নাম দিন। না হলে বুঝবো আপনিও জড়িত। একজন বিধায়ক তিনি ফোন করার পরেও ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আর কবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মালদার ডিএমকে গণনা কেন্দ্র রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা না করে বদলানোর জন্য ভর্সৎনা করেন। কোচবিহারের ডিএমকেও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় ডেপুটি নির্বাচন কমিশনারের। এদিন ডিএম এসপিকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, আপনারা সবাই এখন নির্বাচন কমিশনের অধীনে। সবাইকে কমিশনের নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে। অল ইজ নট ওয়েল। সব যদি ঠিকঠাক চলবে, তাহলে এত অভিযোগ আসছে কেন? নিশ্চয় সবকিছু ঠিকঠাক চলছে না। মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারের ভূমিকা সন্তুষ্ট করতে পারেনি সুদীপ জৈনকে। বাঁকুড়া পুলিশ সুপারকে নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে কমিশনে। স্পর্শকাতর বুথে কত পুলিশ লাগবে তা দ্রুত সিওকে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন সুদীপ জৈন।

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে প্রত্যেক দফার ভোটগ্রহণের আগের ৪৮ ঘন্টায় ইস্তেহার প্রকাশ করতে পারবে না কোনও দল। সেই সঙ্গে প্রচার মূলক ব্যানার, হোডিং, ফ্লেক্স সরানোর জন্য সময়সীমা বেঁধে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। আজ রবিবার সন্ধ্যার মধ্যে তা সরাতে হবে। শনিবার সুদীপ জৈন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, গোটা রাজ্য জুড়ে এই কাজ হবে। পূর্ত দফতর ও স্থানীয় প্রশাসন সাহায্য করবে।

 

Spread the love

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।